September 22, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

পলাশবাড়ী চামড়ার হাটে চামড়ার দাম নিয়ে বিপাকে বিক্রেতারা

পলাশবাড়ী চামড়ার হাটে চামড়ার দাম নিয়ে বিপাকে বিক্রেতারা

পলাশবাড়ী চামড়ার হাটে চামড়ার দাম নিয়ে বিপাকে বিক্রেতারা

পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কালিবাড়ী বাজার চামড়ার হাটে ঈদ পরবর্তী বেচাকেনায় এবার প্রচুর চামড়ার আমদানি এবং বহিরাগত ক্রেতাদের আগমন ঘটলেও তারা চামড়ার মূল্য অনেক কম হাঁকছে। ফলে বিক্রেতারা সঠিক মূল্য না পাওয়ায় তারা চামড়া বিক্রি করতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছে।

জানা গেছে, শুধু উত্তরাঞ্চল নয় রাজধানী ঢাকা থেকে ট্যানারি, আড়ৎদার, বিভিন্ন লেদার কোম্পানির প্রতিনিধি ও ছোট-বড় ক্রেতাসহ চামড়া শিল্পের সাথে সম্পৃক্তরা পলাশবাড়ির হাটটিতে চামড়া কিনতে আসেন। হাটে গোটা বছর চামড়া কেনাবেচা হলেও বিশেষ করে বছরের দুই ঈদে হাটটিতে গাইবান্ধা জেলাসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার বিক্রেতারা এই হাটে আসে চামড়া বিক্রি করতে। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম চামড়া কেনাবেচার এই হাটটি সপ্তাহের প্রতি শনি ও বুধবার বসলেও বর্তমানে শুধু বুধবার চামড়া কেনাবেচা হয়।

উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পলাশবাড়ীর এই চামড়ার হাট ঈদ পরবর্তী বুধবার প্রথম হাটে ক্রেতা থাকলেও চামড়ার মূল্য অনেক কম হাকায় বিক্রেতারা সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না।

হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের মত এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতন এবং করোনা পরিস্থিতিতে চলমান বিধিনিষেধের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় হাটের বেচাকেনা জমে উঠেনি। তদুপরি পরিবহন সংকটের কারণেও ক্রেতারা চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে কম।

বিক্রেতারা জানায়, সরকার নির্ধারিত গরুর চামড়া প্রতি ফুট ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১৭ টাকা দরে কেনা হচ্ছে না। বরং পিস হিসেবে চামড়া বেচাকেনা হতে দেখা গেছে। এতে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছে। এছাড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণ ও শ্রমিকের খরচ মিলে প্রতিটি গরুর চামড়ায় ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা খরচ হয়। সেই চামড়া বাজারে ব্যাপারীরা ৪৫০ টাকা করে মূল্য হাঁকছেন। এই দামে চামড়া বিক্রি করলে প্রতিটা চামড়ায় ১৫০ টাকার বেশি লোকসান হবে। আবার চামড়া বাড়িতে ফিরিয়ে নিলেও খরচ আরো বাড়বে। এতে সুযোগ বুঝে কৌশলী ক্রেতারা কম দাম হাঁকায় বিক্রেতাদের চামড়ার সঠিক মূল্য না পাওয়ার আশংকায় রয়েছেন।

এ ব্যাপারে হাট ইজারাদার জানান, এবার হাটে চামড়ার আমদানি ভালো হলেও দাম ছিল অনেক কম। তবে গত ঈদের তুলনায় এবার হাটে অর্ধেকেরও কম চামড়া আমদানি হয় বলে তিনি উল্লেখ করে।