December 5, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ঝিনাইদহের বারবাজার এলাকায় অননুমোদিত ইটভাটায় অভিযান:অবৈধ ভাঁটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ঝিনাইদহের বারবাজার এলাকায় অননুমোদিত ইটভাটায় অভিযান:অবৈধ ভাঁটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ঝিনাইদহের বারবাজার এলাকায় অননুমোদিত ইটভাটায় অভিযান:অবৈধ ভাঁটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার এলাকায় অননুমোদিত ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইটে পানি মেরে ও টিনের চিমনি ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন প্রশাসন। পাশাপাশি ভাটার মালিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার বিকালে উপজেলার বারবাজার পিরোজপুর গ্রামে জে কে বি ইট ভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, অভিযান চলাকালে জে কে বি ইটভাটা মালিক জয়নাল আবেদীন পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র এবং ইট পোড়ানোর জন্য দেয়া জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দিয়ে ভাঁটা প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট পানি ঢেলে নষ্ট করে এবং পাশাপাশি ভাটার দুটি টিনের চিমনি ভেঙে দেওযা হয়। ইট ভাঁটা প্রস্তুত আইনের সকল নিয়ম কানুন মেনে ভাঁটা পরিচালনার নির্দেশনা দেয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এর ব্যত্যয় ঘটলে সম্পূর্ণরূপে অবৈধ ভাঁটা ধ্বংস করার নির্দেশনাও দেন। কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা শেখ মামুনুর রশিদ জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূবর্ণা রানী সাহা নির্দেশনায় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দিয়ে ভাঁটা প্রস্তুতকৃত কাঁচা ইট পানি ঢেলে নষ্ট করে এবং পাশাপাশি ভাটার দুটি টিনের চিমনি ভেঙে দেওযা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম জানান, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ইটভাটাতে টিনের চিমনি ও কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছিলো। এজন্য অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযান এখনো চলমান আছে। অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। এ দিকে, জেলা প্রশাসনের কঠোর হুঁশিয়ারি থাকা সত্ত্বেও সরকারি আইন অমান্য করে উপজেলায় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় যত্রতত্র ইটভাটা কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি এবং ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে ইট ভাটা। উল্লেখ্য, কালীগঞ্জে অধিকাংশ ইটভাটা বাজারের পাশে লোকলয়ে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি, ফসলি জমি ও বসতি এলাকায় গড়ে ওঠেছে। এতে করে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এসব এলাকার উদ্ভিদ। কমে যাচ্ছে ফলন। বাড়ছে মানুষের শ^াসকষ্টজনিত সমস্যা এবং বেশ কয়েকটি ট্রাকটর দিয়ে কৃষি জমির টপ সয়েল (জমির উপরিভাগের মাটি) এনে ইট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।