September 23, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধে অংশীদারিত্ব চায় প্রধানমন্ত্রি

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধে অংশীদারিত্ব চায় প্রধানমন্ত্রি

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধে অংশীদারিত্ব চায় প্রধানমন্ত্রি

অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) তথা অণুজীবের প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য চিকিৎসা প্রযুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে সমতাভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি বিনিময় ও এ সংক্রান্ত বিনিয়োগে অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা অর্থবহভাবে পরস্পরকে সহযোগিতা করি এবং প্রযুক্তি বিনিময় ও মালিকানায় অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সবার জন্য সামর্থের নাগালের মধ্যে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য চিকিৎসা প্রযুক্তিপ্রাপ্তি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজের গতি অব্যাহত রাখি।’
এএমআর-এর ওপর গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের (জিএলজি) দ্বিতীয় বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এই ধারণকৃত বক্তব্যটি প্রচারিত হয়।
বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একই সময়ে আসুন আমরা এএমআর নিশ্চিতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করি। এএমআর-এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবগুলো খাতেই টেকসই পদক্ষেপ জরুরি। এ ব্যাপারে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে দেখে আমি সন্তুষ্ট।
গ্রুপের কো-চেয়ার শেখ হাসিনা আরো বলেন, ওয়ান হেলথ প্রস্তাবের পাশাপাশি বহু খাতের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানে অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে জন্য জিএলজি’র অগ্রাধিকারকে সমর্থন দিতে পেরে এবং জিএলজি’র জন্য সমন্বিত যোগাযোগ কৌশল অনুমোদন করতে পেরে  আমি আনন্দিত। বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জিএলজি কর্মকাণ্ডের পরিচিতি তুলে ধরতে আমরা আমাদের অবদান রেখে যাব।
এএমআর-এ সরাসরি টেকসই অর্থায়ন বাড়াতে জিএলজি কী করতে পারে, এ বিষয়ে অন্যদের মতামত জানতে চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এএমআর-এর বোঝা লাঘবে এই খাতের সবে পর্যায়ে অর্থায়ন অতি জরুরি। এছাড়াও জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গবেষণা, উন্নয়ন ও নতুন নতুন উদ্ভাবনে সবার সমান প্রাপ্তির লক্ষ্যে আমাদেরকে পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য অর্জনে আমাদেরকে রাজনৈতিক পদক্ষেপকে প্রাধান্য দিতে হবে। আর এজন্য এসডিজিএস বাস্তবায়নে এএমআর নিশ্চিত করা উচিত।
গ্রুপটির কো-চেয়ার হিসেবে এই সভার সভাপতিত্ব করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আরমো মোটলেই’র প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এএমআর নিশ্চিতে তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপও তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স কনটেইনমেন্টের ওপর ষষ্ঠ বার্ষিকী (২০১৭-২০২২) ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ও ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। ডব্লিউএইচও’র ক্যাটাগরি নিশ্চিতে নিয়মিতভাবেই মানব ও পশু স্বাস্থ্যের গবেষণাগার-ভিত্তিক এএমআর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দুই বছর ধরে আমরা ডব্লিউএইচও গ্লাস প্ল্যাটফরমের কাছে এএমআর পর্যবেক্ষণ তথ্য-উপাত্ত (ডাটা) সরবরাহ করছি। বাসস।