October 27, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ছুটির দিনে শপিংমল-মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

ছুটির দিনে শপিংমল-মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

ছুটির দিনে শপিংমল-মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

বড় বড় শপিংমলগুলোতে করোনার স্বাস্থ্যবিধি তুলনামূলক পালন করা হচ্ছে। সেখানে বেশির ভাগ মানুষ মাস্ক পরেছেন। কিন্তু অনেকেই থুতনিতে মাস্ক রাখছেন। শপিংমলগুলোর দোকানে তাপমাত্রা পরিমাপের ডিজিটাল যন্ত্র রয়েছে এবং স্যানিটাইজার দৃশ্যমান। কিন্তু কোনো ক্রেতারই শরীরে তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে না। আর স্যানিটাইজার ব্যবহার তো হচ্ছেই না।

মিরপুর-১০ নম্বরের শাহ আলী মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা সিনথিয়া জান্নাত বলেন, বেসরকারি চাকরির সুবাধে সপ্তাহে একদিন ছুটি পাই। এজন্য যতটুক স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব ততটুকু মেনেই আজ কেনাকাটা করতে এসেছি। সামনে ঈদ থাকায় পরিবারের সদস্যদের কথা বিবেচনা করেই নতুন কাপড়চোপড় কেনাকাটার জন্য আসতে হয়েছে।

মিরপুর-১ নম্বরের বাগদাদ শপিং সেন্টারের কসমেটিকস ব্যবসায়ী রায়হান আহমেদ বলেন, ঈদের আর কয়েকদিন বাকি আছে। এজন্য মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আজ ছুটির দিন হিসেবে ক্রেতারা বেশি আসছেন। বিক্রিও ভালো হচ্ছে। গত সপ্তাহের ব্যবসার ঘাটতি আজ পুষিয়ে নেয়া যাবে।

এদিকে রাজধানীর ফুটপাতগুলো ঈদের কেনাকাটা বেশ জমে উঠেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ সন্তানদের জন্য নতুন পোশাক কিনতে ভিড় করছেন। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত করেই ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় হচ্ছে।

ফুটপাতে আসা ক্রেতা রমজান আলী বলেন, ঈদে বাচ্চাদের জন্য নতুন জামা কেনা জরুরি। বাচ্চারা মন খারাপ করলে নিজেদের মন খারাপতো হবেই। নিজে কিছু না কিনি, বাচ্চাদের মুখে তো হাসি ফুটাতে হবে।

মাস্ক থুতনিতে কেন জানতে চাইলে রমজান বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে মাস্ক পরেছি। কতক্ষণ পরে থাকা যায়। মাঝে মাঝে স্বস্তির জন্য মাস্ক থুতনিতে রাখি। বাকিটা আল্লাহ দেখবেন।

ফুটপাতের ব্যবসায়ী মোহাইমিন হোসেন বলেন, চার মাস আগে পোশাক কারখানা থেকে চাকরি চলে যায়। এখন বেকার না বসে ফুটপাতে কাপড়ের ব্যবসা করছি। করোনার ঝুঁকি এড়িয়ে ব্যবসার চেষ্টা করছি। ক্রেতারা যতটুকু সম্ভব দূরে থেকেই কাপড় কেনাকাটা করছেন। আমরাও নিরাপদ দূরত্বে থাকার চেষ্টা করছি। সব সময়তো আর পরিপূর্ণভাবে সচেতন থাকা যায় না।