October 18, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

বাল্যবিয়ে একটি প্রতিবন্ধকতা: স্পিকার

বাল্যবিয়ে একটি প্রতিবন্ধকতা: স্পিকার

বাল্যবিয়ে একটি প্রতিবন্ধকতা: স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, কন্যাশিশুর স্বাস্থ্যের যথাযথ সুরক্ষা ও পরিচর্যার জন্য বাল্যবিয়ে একটি প্রতিবন্ধকতা। এজন্য বিজ্ঞানসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত উপায়ে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা গেলে এ সম্পর্কিত আইনের যথাযথ প্রয়োগ সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পার্লামেন্টারিয়ান্স অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএপিপিডি) পরামর্শ সভার আয়োজন করে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
রোববার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় করোনাকালীন কিশোরী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

স্পিকার বলেন, সারাদেশের জেলা-উপজেলায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মাতৃস্বাস্থ্য ও কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা ও পরামর্শমূলক সভার আয়োজন করেছে বিএপিপিডি। এসব সভার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা বেড়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিএপিপিডি একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে যেখানে স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা সংযুক্ত থেকে তাদের মতবিনিময় করতে পারেন। কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে স্থানীয় নেতাদের পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের তৃণমূল পর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিদ্যমান। ইউনিয়ন পর্যায়ে কিশোরী ও অভিভাবকদের সঙ্গে পরামর্শ করা গেলে বাল্যবিয়ে অনেকখানি প্রতিরোধ সম্ভব। দেশে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আইন রয়েছে। পরামর্শ সভার মাধ্যমে অভিভাবকদের বাল্যবিয়ে বিজ্ঞানসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত কুফল সম্পর্কে সচেতন করা গেলে এ আইনের যথাযথ প্রয়োগ সম্ভব হবে। মাতৃমৃত্যু হ্রাসকরণের জন্য বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ প্রয়োজন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য জাতিসংঘ থেকে পুরস্কৃত হয়েছি। নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত কার্যক্রম অতুলনীয়। উপবৃত্তি ব্যবস্থা মেয়েদের বিদ্যালয়মুখী করেছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লকের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার সুফল গ্রামাঞ্চলে বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, করোনাকালীন হেলথ লাইন ব্যবস্থা নারীদের সুফল বয়ে এনেছে। এ ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তাগুলোকে সকলের সমন্বয়ে কাজে লাগাতে হবে। করোনাকালীন মহামারির মধ্যে সমগ্র বিশ্বেই নারীদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। করোনাকালীন নারীরা যেন নির্যাতনের শিকার না হন সেজন্য জাতিসংঘ থেকেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপির সভাপতিত্বে ও প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি, আরমা দত্ত এমপি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি, শহীদুজ্জামান সরকার এমপি, মেহের আফরোজ এমপি, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি, আবিদা আঞ্জুম মিতা এমপি, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. আশা টর্কেলসন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান ও সংশ্লিষ্টরা।