January 21, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পাস করেই চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরা উদ্যোক্তা হতে হবে এবং অন্যকে চাকরি দেওয়া সুযোগ তৈরি করতে হবে। উদ্যোক্তা তৈরিতে আওয়ামী লীগ সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, তরুণ সমাজকে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা ও ভোকেশনাল ট্রেনিংয়েরও সুযোগ করে দিয়েছি। পাশাপাশি কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে করতে পারে সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যুব সমাজের কল্যাণে স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিচ্ছে। এজন্য বাজেটে আলাদা বরাদ্দ আছে। কাজেই যে কেউ উদ্যোক্তা হতে চাইলে হতে পারে। বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড সুবিধা এখন প্রায় ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, মোবাইল ফোন সবার হাতে হাতে পৌঁছে গেছে।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব সহজ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রয়-বিক্রয়, পণ্যমান সবকিছু জানার একটা সুযোগ হচ্ছে। বাজার সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। বাজারের চাহিদা ও পণ্যের মূল্য সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। এই সুবিধাগুলো কিন্তু এখন চলে এসেছে। যার ফলে আমি মনে করি আমাদের মানুষের আর কষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না। একটু স্ব-উদ্যোগে কাজ করলেই কিন্তু নিজেরা উদ্যোক্তা হতে পারেন এবং নিজেরা কাজ করতে পারেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি উদ্যোক্তা হতে চায় তবে সে কোথায় কারখানা করবে সেটা ঠিক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিন। নিজস্ব জায়গায় করলে সেখানে কীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করবে সেটা ভালোভাবে দেখতে হবে।

এসএমই হলো সবচেয়ে শ্রমঘন ও স্বল্পপুঁজি-নির্ভর খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমৃদ্ধ ও টেকসই অর্থনীতির ভিত গড়তে হলে দেশে শ্রমঘন ও স্বল্পপুঁজির এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রয়োজন। সব ধরনের শিল্প দেশজুড়ে গড়ে তুলতে তার সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে ও এসএমই উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নারীরা একসময় পিছিয়ে থাকতো কিন্তু আজ নারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোক্তাদের নিজেদের স্ত্রীদেরও উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ১৯ মাস বিরতির পর এসএমই ফাউন্ডেশন এ মেলার আয়োজন করেছে। ২০২০ সালের মার্চে এসএমই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল, যখন দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত হয়।

আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলমান এ মেলায় প্রথমবারের মতো ১০টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি সারাদেশ থেকে বাছাই করা ৩০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে, যাদের প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিশেষ অতিথি ও অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ‘জাতীয় এসএমই পুরস্কার ২০২১’ বিজয়ী চার উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও চেক তুলে দেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ড. মো. মাসুদুর রহমান বক্তব্য দেন।

শিক্ষাজীবন শেষে চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘নবম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২১’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তরুণদের এ পরামর্শ দেন। তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু পাস করেই চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরা উদ্যোক্তা হতে হবে এবং অন্যকে চাকরি দেওয়া সুযোগ তৈরি করতে হবে। উদ্যোক্তা তৈরিতে আওয়ামী লীগ সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, তরুণ সমাজকে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা ও ভোকেশনাল ট্রেনিংয়েরও সুযোগ করে দিয়েছি। পাশাপাশি কম্পিউটার ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে করতে পারে সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যুব সমাজের কল্যাণে স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিচ্ছে। এজন্য বাজেটে আলাদা বরাদ্দ আছে। কাজেই যে কেউ উদ্যোক্তা হতে চাইলে হতে পারে। বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড সুবিধা এখন প্রায় ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, মোবাইল ফোন সবার হাতে হাতে পৌঁছে গেছে।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব সহজ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রয়-বিক্রয়, পণ্যমান সবকিছু জানার একটা সুযোগ হচ্ছে। বাজার সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। বাজারের চাহিদা ও পণ্যের মূল্য সম্পর্কে জানার সুযোগ হচ্ছে। এই সুবিধাগুলো কিন্তু এখন চলে এসেছে। যার ফলে আমি মনে করি আমাদের মানুষের আর কষ্ট করার কোনো অর্থ হয় না। একটু স্ব-উদ্যোগে কাজ করলেই কিন্তু নিজেরা উদ্যোক্তা হতে পারেন এবং নিজেরা কাজ করতে পারেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি উদ্যোক্তা হতে চায় তবে সে কোথায় কারখানা করবে সেটা ঠিক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিন। নিজস্ব জায়গায় করলে সেখানে কীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করবে সেটা ভালোভাবে দেখতে হবে।

এসএমই হলো সবচেয়ে শ্রমঘন ও স্বল্পপুঁজি-নির্ভর খাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমৃদ্ধ ও টেকসই অর্থনীতির ভিত গড়তে হলে দেশে শ্রমঘন ও স্বল্পপুঁজির এসএমই উদ্যোক্তা তৈরি করা প্রয়োজন। সব ধরনের শিল্প দেশজুড়ে গড়ে তুলতে তার সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে ও এসএমই উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নারীরা একসময় পিছিয়ে থাকতো কিন্তু আজ নারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোক্তাদের নিজেদের স্ত্রীদেরও উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ১৯ মাস বিরতির পর এসএমই ফাউন্ডেশন এ মেলার আয়োজন করেছে। ২০২০ সালের মার্চে এসএমই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল, যখন দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত হয়।

আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলমান এ মেলায় প্রথমবারের মতো ১০টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অংশ নিচ্ছে। পাশাপাশি সারাদেশ থেকে বাছাই করা ৩০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে, যাদের প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিশেষ অতিথি ও অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন ‘জাতীয় এসএমই পুরস্কার ২০২১’ বিজয়ী চার উদ্যোক্তার হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও চেক তুলে দেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ড. মো. মাসুদুর রহমান বক্তব্য দেন।