October 24, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

আজ ‘পপসম্রাট’ আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ‘পপসম্রাট’ আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ‘পপসম্রাট’ আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলা সঙ্গীতের ‘পপসম্রাট’ খ্যাত আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালের ৫ জুন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান আজম খান।
মায়ের অনুপ্রেরণায় আজম খান শৈশব থেকেই সংগীতে নিয়মিত চর্চা শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৮ সালে টিঅ্যান্ডটি মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাস করেন। ষাটের দশকে পশ্চিমা ধাঁচের পপ গানে দেশজ বিষয়ের সংযোজন ও পরিবেশনার স্বতন্ত্র রীতিতে বাংলা গানে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন আজম খান।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ‘ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী’র সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসংগীত প্রচার করেন। মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নেন আজম খান। ১৯৭১ সালের পর লাকী আখন্দ, হ্যাপী আখন্দ, নিলু, মনসুর ও সাদেককে নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ডদল ‘উচ্চারণ’।

দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে বিটিভিতে আজম খানের ‘এত সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে’ ও ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে’ গান দুটি সরাসরি প্রচারিত হলে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ১৯৭৪ সালে বিটিভিতে ‘বাংলাদেশ’ গান গেয়ে সারা দেশে হৈচৈ ফেলে দেন। ফিরোজ সাঁই, ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ ও পিলু মমতাজের সঙ্গেও বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান করেন তিনি।

বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান ‘জীবনে কিছু পাব না’। বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই প্রথম হার্ডরক সংগীত বলে বিবেচিত। ১৯৮২ সালে ‘এক যুগ’ নামে আজম খানের প্রথম অডিও অ্যালবাম বাজারে আসে। তার একক অ্যালবাম সংখ্যা ১৭ এবং দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম ২৫টির বেশি।