August 1, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন: একক প্রার্থী নিয়ে নিয়ে ফুরফুরে মেজাজে বিএনপি, দুই বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে আ’লীগ!

কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন: একক প্রার্থী নিয়ে নিয়ে ফুরফুরে মেজাজে বিএনপি, দুই বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে আ’লীগ!

কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন: একক প্রার্থী নিয়ে নিয়ে ফুরফুরে মেজাজে বিএনপি, দুই বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে আ’লীগ!

ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি’র একক প্রার্থী নিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। অন্যদিকে অওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীসহ আরো দু জন বিদ্রেহী প্রার্থী নিয়ে টেনশনে রয়েছে সরকারী দল। আগামী ৩০ জানুয়ারি দেশের প্রচীনতম এ পৌর সভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই প্রচার প্রচারনায় সরগরম গোটা পৌর এলাকার পাড়ামহল্লা। দেশের পৌরসভা গুলোর মধ্যে কোটচাঁদপুর পৌরসভা একটি প্রাচীন পৌরসভা। ১৮৮৪ সালে কোটচাঁদপুর পৌরসভা স্থাপিত হয়। এটি একটি পুরানো শহর। এককালে এ শহর চিনি শিল্প হিসাবে পরিচিত ছিল। কোটচাঁদপুর ও আশেপাশের এলাকায় প্রায় ৫’শ ছোটবড় চিনি কারখানা ছিল। খেজুরে গুড় থেকে একেবারে দেশীয় পদ্ধতিতে এ চিনি তৈরি হতো। যশোর ডিস্ট্রিক গেজেটিয়ারের বর্নিত তথ্যে এ সব তথ্য জানা যায়। এ চিনি কলকাকাতা বন্দর দিয়ে বিলেতে রপ্তানী হতো। কোটচাঁদপুরে সাহেবদের বাস ছিল। তাদের চেস্টায় কোটচাঁদপুর পৌসভা স্থাপিত হয়। জেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, এবার পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত মোঃ শাহাজাহান আলি, বিএনপি মনোনিত সাবেক মেয়র এস কে এম সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল, সতন্ত্র সাবেক মেয়র মোঃ জাহিদুল ইসলাম জিরে ও সহিদুজ্জামান সেলিম। সহিদুজ্জামান সেলিম কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক ও জাহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগ কর্মী। বিদ্রোহী হওয়ায় দল থেকে তাদের বহিস্কার করা হয়েছে। জাহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি দলের কাছে মেয়র পদে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি। তাই সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন। তার প্রচরনায় বাঁধা সৃষ্টির অভিযোগ করেন সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জাহিদুল ইসলাম জিরে অভিযোগ করেন, তার সমর্থকদের মারধর করা হচ্ছে। বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দিন বুলবুল সিডলও একই ধরনের অভিযোগ করেন। সিডল বলেন, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে ধানের শীষ জয়ী হবে। কিন্তু এ সরকার সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচনকে ভয় পায়। তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য মানুষ নৌকায় ভোট দিবে। এ পৌর সভায় মেয়র পদে ত্রিমুখি প্রতিদ্বন্দীতার সম্ভবনা থাকলেও ভোটারদের মধ্যে নানা সন্দেহ ও আতংক কাজ করছে। তথ্যমতে জামায়াতের এখানে শক্ত অবস্থান আছে। তাদের ভোটের উপর জয় পড়াজয় নির্ভর করছে। এ পৌর সভায় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১২ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দতা করছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৪৯৩ জন।