October 27, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ঝিনাইদহে ইউপির মহিলা সদস্য পারুলার বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পের বালু আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

ঝিনাইদহে ইউপির মহিলা সদস্য পারুলার বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পের বালু আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

ঝিনাইদহে ইউপির মহিলা সদস্য পারুলার বিরুদ্ধে আশ্রয়ন প্রকল্পের বালু আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

ঝিনাইদহ-
ঝিনাইদহের হলিধানী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের ৭নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য পারুলা বেগমের নামে ভূমিহীনদের ঘর বরাদ্দে অনিয়ম ও জমিতে ভরাটকৃত বালু আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিকালে রামচন্দ্রপুর গ্রামের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর জমিতে ভরাটকৃত বালু মহিলা মেম্বর নিজ বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবেদক সরোজমিনে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ওই মহিলা মেম্বরের স্বামী মুজাম মন্ডল নিজে পাওয়ার ট্রিলারের বগিতে করে আশ্রয়ন জমির ভরাটের বালু তার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে। বালুর কথা জিজ্ঞসা করা হলে সে বলে আমি কিছুই জানি না, মেম্বর এই বালু গুলো বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেছে। কিছুক্ষণ পর ওই মহিলা মেম্বর পারুলা ঘটনাস্থলে এসেই সাংবাদিকদের সাথে বাকন্ডীতা শুরু করে। জমি ভরাটের বালু আপনি কিভাবে নিজের বাড়িতে নিচ্ছেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি জানান, উপজেলা সাবেক নির্বাহী অফিসার আমাকে এই ভূমিহীনদের ঘর নির্মানের দায়িত্ব দিয়েছেন। এখানকার সকল দায়দায়িত্ব আমার। এটা আমার প্রোজেক্ট, এই কাজ করতে গিয়ে আমার ১৫ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। আর বালু গুলো রাস্তার উপরে থাকায় স্যার আমাকে রাস্তা পরিস্কার করতে বলেছে, তাই রাস্তা পরিস্কার করছি।এলাকা বাসি বলেন,মহিলা মেম্বর পারুলা সরকারি বালু নিয়ে যাচ্ছে এটা খুব দুঃখজনক,এর পাওনাদার ভুমিহীনরা। হলিধানী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, মহিলা মেম্বর যা করেছে সেটা আসলে ঠিক করেনি। সে আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ভরাটের বালু নিজের কাজে ব্যবহারের জন্য নিয়ে গেছে। এহেন কাজ আসলে খুবই দুঃখ জনক। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম শাহিন বলেন,আমি এই উপজেলাতে নতুন এসেছি। পুর্বের উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিভাবে বালু রেখেগেছেন জানি না।আপনারা সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলেন। উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার বদুরুদ্দোজা শুভ বলেন, আমি তাকে বালু নেওয়ার কোন অনুমতি দেয়নি। সে যদি এই কাজ করে থাকে তাহলে খুবই অন্যায় করেছে।