April 16, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ বাইপাস সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ বাইপাস সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ বাইপাস সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ বাইপাস সড়কের ১২ শ মিটার হেরিংবন্ড সড়ক নিমার্ণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুক্র ও শনিবার সরকারী ছুটির দিনে তদারকি কর্মকতার্র উপস্থিতি ছাড়াই নিজের ইচ্ছামতো নিম্নমানের ইট দিয়ে সড়ক নিমার্ন কাজ করছেন ঠিকাদার। এ বিষয়ে সংশিষ্ট তদারকি কর্মকতার্কে অবহিত করলেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি।
নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে (নীলফামারী- কিশোরগঞ্জ) বাইপাস সড়কের কালিকাপুর চেীধুরীপাড়া থেকে চাঁড়ালকাঁটা নদীর বাজিতপাড়া ঘাটের উপর নির্মিত ব্রীজ পর্যন্ত ১২শ মিটার হেরিংবন্ড সড়ক নিমার্নের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়। সড়ক নিমার্নে বরাদ্দ ধরা হয় ৮২ লাখ টাকা। টেন্ডারে কাজটি পায় নীলফামারীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমিনুল হক প্রাইভেট লিমিটেড।
নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং সংশিষ্ট কাজের তদারকি কর্মকর্তা ওসমান গণি জানান, সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী সড়কের বেডকাটিং করার পর বালু ফেলে মজবুতিকরণ করতে হবে।
এরপর হাফ ইঞ্চি পর পর ইটের সলিং বিছিয়ে তাঁরপর বালু দিয়ে বালুর উপরে এক নম্বর ইট দিয়ে হেরিংবন্ড সম্পন্ন করতে হবে। কোন অবস্থাতে সলিং হাফ ইঞ্চির বেশি কিংবা দুই নম্বর ইট ব্যবহার করা যাবেনা।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তদারকি কর্মকতার্র উপস্থিতি ছাড়াই ঠিকাদার তড়িঘরি করে হাফ ইঞ্চির জায়গায় এক ইঞ্চি থেকে দুই ইঞ্চি পর্যন্ত ফাঁকা রেখে নিম্নমানের ইট দিয়ে সলিং নিমার্ণের কাজ করছেন। এমনকি সলিং নিমার্ণের সাথে সাথে বালু দিয়ে সলিং ঢেকে দিয়ে হেরিংবন্ড কাজ শেষ করছেন।
গ্রামবাসী মঞ্জিল মিয়া, শহিদুল ইসলাম, এনামুল মিয়া, সাবেদ আলীসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এই সড়কটি দীর্ঘদিন থেকে অবহেলিত। সড়কটি নিমার্ণ কাজ সঠিকভাবে মজবুতিকরণ করার কথা থাকলে তা করা হয়নি।
এমনকি সলিংয়ে হাফ ইঞ্জি পর পর ইট বিছানোর কথা থাকলেও ইট বিছানো হচ্ছে এক থেকে দুই ইঞ্চি পর পর। এছাড়াও সলিং ও হেরিংবন্ড কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা এলাকাবাসী ঠিকাদারকে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করতে নিষেধ করলেও তিনি মানছেননা। নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার ফলে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের মালিক বেলাল হোসেন হেরিংবন্ড সড়ক নিমার্ণ কাজে দুই নম্বর ইট ব্যবহার করার কথা স্বীকার করে বলেন, ভাটা থেকে ইট নিয়ে আসার সময় কিছু খারাপ ইট আসতে পারে।
নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল করিমের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি সেখানে লোক পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করছি। কাজের মান খারাপ হলে প্রয়োজনে কাজ বন্ধ করা হবে।