April 13, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

পাবর্তীপুরের হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

পাবর্তীপুরের হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

পাবর্তীপুরে ভূমি অফিসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের পাবর্তীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূমি কর্মকর্তা কর্তৃক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাবর্তীপুর থানায় মামলা।
পাবর্তীপুর উপজেলার ৯নং হামিদপুর ইউপির জিগাগাড়ী বৈদ্যনাথ গ্রামের আব্দুল হক এর পুত্র হামিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ এর অভিযোগে জানান যায়, খলিলপুর সরদার পাড়া গ্রামের জমি দাতা জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ আলমগীর সরদার, মোঃ আওরঙ্গজেব, মোছাঃ মেনোকা বানু, রেবেকা, মোছাঃ কিরন নাহার, মোছা: ইয়াসমিন, সকলের পিতা-মৃত ইয়াকিন আলী সরদার, মাতা-মৃত রাজেদা খাতুন মালেকা সর্ব সাং খলিলপুর সরদার পাড়া। তারা গত ১৭-০২-২০২০ ইং সালে পাবর্তীপুর সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে উক্ত জমি রেজিষ্ট্রি দেন, যাহার দলিল নং-১৬৩৭/২০২০। এদের নিকট নিকট থেকে হামিদপুর মৌজার জেএলনং-১৫৬, খতিয়ান নং-৮৬, দাগনং-৪৯১, পরিমান-০.২৫ একর, দাগনং-১০০৯, পরিমান-০.২২ একর। উক্ত ২টি দাগের জমি খারিজের জন্য অবেদন দিলে হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম ১০০৯ দাগের ২২ শতক খারিজ দিলেও ৪১৯ দাগের ২৫ শতক জমি খারিজ না দিয়ে হয়রানী করেন। যাহার কেস নং-নামজারি মামলা নং-০৭(ওঢ-ও)২০২০-২০২১।
উল্লেখ্য যে, ইতি পূর্বে বাদীগন মোঃ ওয়াকিল আলী সরদার ও তার বড় ভাইয়ের খারিজ বাতিলের জন্য ১২বছর আগে পাবর্তীপুর সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন করেন। বিবেচ্য নামজারি মোকদ্দমাটি ১২ বছরের অধিক পুরাতন হওয়ায় তামাদি আইন ১৯০৮ এর বিধানবলে বিবেচ্য নামজারি মামলার রিভিউ চালু করা গেল না বলে রায় প্রদান করেন তৎকালীন আবু তাহের মোঃ শামসুজ্জামান সহকারি কমিশনার ভূমি পাবর্তীপুর, দিনাজপুর। এছাড়া সিআরনং-৪৯৫২৯/২৫(৮)/১১/২০
তারিখ-০৪-১১-২০২০ ইং তারিখে নাশিদ কায়সার রিয়াদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি (অ:দা:) উপজেলা ভূমি অফিস পাবর্তীপুর ২২ শতক জমির খারিজ প্রদান করেন। গত মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল) দুপুরে হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মোঃ আব্দুর রউফ গিয়ে একই দলিলে মোট ৪৭ শতকের মধ্যে ২২ শতক জমি খারিজ প্রদান করেন বাকি দলিলের ২৫ শতক জমি কেন খারিজ দেওয়া হবেনা এই মর্মে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার সাথে একপ্রকার কথাকটাকাটি শুরু হয়। উভয়ের মধ্যে বিতর্ক হয়। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম মুখে গুল দিয়ে কথা বলতে বলতে তার মুখ থেকে গুল ছিটকে গিয়ে শিক্ষক আব্দুর রউফ এর গায়ে পড়ে। এর প্রতিবাদ করলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকতা আমিনুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে ওঠে। জমি খারিজের আবেদনকারী শিক্ষক আব্দুর রউফ জানান, আমার প্রতিপক্ষদের সাথে গোপনে আতাত করে বাকি জমির খারিজ না দিয়ে মোশারাফ হোসেন এর পুত্র ওয়াকিল এর পক্ষে ঐ সহকারী কর্মকর্তা কাজ করেন। আমি যাতে বাকি জমির খারিজ না পাই।
এই ঘটনায় এই ঘটনায় হামিদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম এর সাথে গতকাল বৃহস্পতিবার তার ০১৭১৬৯৪০৩২৪ এই নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, থানায় অভিযোগ করেছি সেই কাগজে সবকিছু জানতে পারবেন। তিনি গতবুধবার শিক্ষক সহ দুই জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-০৯, তারিখ-০৭/০৪/২০২১ইং।
শিক্ষক আব্দুর রউফ এর সাথে ০১৭১৭০৮৮৯১২ এই নাম্বারে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে মারপিটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়। তিনি অনিয়মকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।