April 11, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

পীরগঞ্জে করতোয়ার বালু লুটছে লুটেরা সমিতি

পীরগঞ্জে করতোয়ার বালু লুটছে লুটেরা সমিতি

পীরগঞ্জে করতোয়ার বালু লুটছে লুটেরা সমিতি

প্রতিনিধি পীরগঞ্জ (রংপুর) ঃ করতোয়া নদী থেকে লুটেরাদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও লুটপাট বন্ধ হয়নি আজও। বর্নিত নদীর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ল্যাংড়ার ঘাট নামক স্থানে ওই কারবার চলছে বেশ জোরেসোরে। করতোয়া নদী পাড়ের ৩ গ্রামের বালু লুটেরাগণ সমিতি করে মাসের পর মাস দোর্দন্ড প্রতাপের সাথে বালু তুলে বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কালাগাছ বনে যাচ্ছে। অধৈভাবে যত্রতত্র বালু তোলার কারনে শত-শত কৃষক পরিবার তাদের আবাদী জমি, ঘর-বাড়ী ভাঙ্গনের ফলে করতোয়া গর্ভে বিলিন হবার আশংকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
পীরগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ক’মাস আগে বালু উত্তোলন বন্ধে মাইকিং করার পর বালু লুটেরাগণ তাদের কারবার আরও দ্বিগুন করেছেন । ওই সময় বালু তুলতো ১৬ জনে । এখন সমিতি করে বালু তুলছে ৩৩ জনে । বালু তোলা বন্ধে প্রশাসনের মাইকিং করাকে বজ্র আটুনী ফসকা গেরো হিসেবে অবিহিত করছেন সচেতন এলাকাবাসী।
করতোয়া নদীটি রংপুর ও দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী পীরগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট উপজেলার ধার ঘেষে বহমান। উপজেলার চতরা ইউনিয়নের কুয়াতপুর-হামিদপুর নামকস্থানে ল্যাংড়ার ঘাটটিতে বর্ষায় নৌকা জোড়া লাগিয়ে মানুষ পারাপার হয়। ল্যাংড়ারঘাটেই কুয়াতপুর হামিদপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে রবিউল, শফি মুন্সির ছেলে আব্দুর রউফ, খাজা মিয়ার ছেলে স্বপন, আব্দুল হাকিমের ছেলে সুজন, সাইদুর রহমানের ছেলে সোলেমান, ইয়াকুব আলীর ছেলে বাবলু, মমদেল হোসেনের ছেলে ছকমল ও মাহবুবার রহমান, নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে আশরাফুল,মৃত-ইসমাইলের েেছলে জিয়াউর রহমান ও নজরুল ইসলাম, মমদেল হোসেনের ছেলে এমরান,হাসেন আলীর ছেলে আবু তাহের ও শামীম, পার কুয়াতপুরের আব্দুল হাকিমের ছেলে আশরাফুল ইসলাম, জুমাই মিয়ার ছেলে আব্দুল জব্বার ও আব্বাছ আলী, শরম উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম,মন্টু মিয়ার ছেলে রনি ,বাহার মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের, জামিল মিয়ার ছেলে মুশিদ আলী, ঘাষিপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে বাবু মিয়া,আব্দুস সামাদ মিয়ার ছেলে সামসুল হক,রফিকুল ইসলামের ছেলে মিতেন,মানিক মিয়ার ছেলে মিলন, রাজু মিয়ার ছেলে রুবেল, এবং আব্দুস সাত্তারের ছেলে মোকলেছার রহমানসহ সর্বমোট ৩৩ জন বালু লুটকারী যুবক সমিতি গঠন করে উঠানো বালু শত শত মাহেন্দ্র ট্রলিতে বালু বিক্রি করছে প্রতিদিন।
কেউ এতে বাধা দিলে সমিতির সদস্যরা হুমকি প্রদান করেন। যে কারনে এলাকার কেউ মুখ খোলার সাহস করেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগি এলাকাবাসী এমন অভিযোগ করেছেন। গত বুধবার বিকেলে ল্যাংড়ারঘাট এলাকায় গিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলা ও ট্রলিযোগে বিক্রির মহোৎসব চলছে। করতোয়া নদীর বর্নিত ঘাটে দেড়’শ ফিটের মধ্যে ৮টি বোমা মেশিন লাগিয়ে দিবারাত্রী বালু লুটের কারবার চালাচ্ছে লুটেরাগণ। বেশকিছু মাহিন্দ্র ট্রলিতে বালু বোঝাই করার দৃশ্য দেখে মনে হয় বালু উত্তোলন ও বিক্রির প্রদর্শনী মেলা বসেছে। প্রতিদিন শত শত ট্রলি বালু পরিবহন করায় গ্রামের রাস্তা ভেঙ্গে চলাচলের অনুপযোগি হয়েছে। রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগি হওয়ায় এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল হাটবাজাওে বিক্রি করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে । পাশাপশি ধুলোবালির কারণে এলাকার পরিবেশ দুষিত হওয়ায় বাড়িতে থাকা দুরহ হয়ে পড়ছে শিশুসহ গৃহবধুদের। ী অবৈধ বালুর কারবার বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবী করেছে এলাকাবাসী ।