October 24, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ীতে ২৮ ডিসেম্বর পৗর নির্বাচন মাঠে নেমেছেন ৪জন মেয়র প্রার্থীসহ ৪০জন কাউন্সিলর প্রার্থী।

ফুলবাড়ীতে ২৮ ডিসেম্বর পৗর নির্বাচন মাঠে নেমেছেন ৪জন মেয়র প্রার্থীসহ ৪০জন কাউন্সিলর প্রার্থী।

ফুলবাড়ীতে ২৮ ডিসেম্বর পৗর নির্বাচন মাঠে নেমেছেন ৪জন মেয়র প্রার্থীসহ ৪০জন কাউন্সিলর প্রার্থী।

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভা নির্বাচন।
পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে শহরের চা-ষ্টল গুলোতে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন, কে হচ্ছে আগামী দিনের পৌরপিতা।আসন্ন ফুলবাড়ী পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছেন আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীসহ দুই প্রভাবশালী সতন্ত্র প্রার্থী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁরা ভোটারদের সাথে গনসংযোগ উঠান বৈঠকসহ মতবিনিময় সভা শুরু করেছেন।আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র পদে প্রতিদন্দিতা করা জন্য মাঠে নেমেছে ক্ষমতাশীনদল আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি, দলিয় ভাবে তাকে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেু। রাজপথের বিরোধীদল বিএনপি এখনো প্রার্থী মনোনীত না করলেও, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একজনেই মাঠে নেমেছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাজুল ইসলাম। এছাড়া পৌর নির্বাচনে মেয়রপদে প্রতিদন্দিতা করার জন্য মাঠে নেমেছেন দুইজন প্রভাবশালী সতন্ত্র প্রার্থী, বর্তমান মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক ও শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিল্পপতি মাহমুদ আলম লিটন। এছাড়া ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কউিন্সিলর ওয়াডে প্রতিদন্দিতায় নেমেছেন অর্ধশত কাউন্সিলর প্রার্থী।এদিকে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী খাজা মঈনুদ্দিন যুবলীগের সভাপতি ও দিনাজপুর-৫ আসনের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপির ছোট ভাই হলেও, সতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক এক সময়ের ছাত্রলীগের নেতা ও কাটাবাড়ী গ্রামের মৃত নায়েব উদ্দিন সরকারের ছেলে, তারা বংশানুক্রমে আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। কিন্তু তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত ২০১১ ও ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করে বিজয়ী হয়েছেন।এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাহাজুল ইসলাম হলেও, সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্দিতা করতে মাঠে নেমেছেন শহরের বিশিষ্ট ব্যবস্যায়ী মাহমুদ আলম লিটন। তিনি বিএনপির ক্লান্তিকালে (৮৮-৮৯) সালে ছাত্রদলের নেতা ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতির ছোট ভাই। তার পিতা মৃত নূরুল হুদা ফুলবাড়ী পৌরসভার একজন প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ছিল এবং পারিবারিক ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত একই ভাবে প্রভাবশালী পরিবার হিসেবে এলাকায় তাঁর পরিচিত রয়েছে। এই কারনে ভোটের হিসেব একেবারে পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন নির্বাচন বোদ্ধারা।আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি বলছেন, সরকারের উন্নায়নের ধারা অব্যহত রাখতে তাকে নির্বাচিত করবেন পৌরবাসী। একই ভাবে পৌর নির্বাচনের পূর্বের ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা বলছেন বর্তমান মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক।এদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাহাজুল ইসলাম বলছেন আওয়ামীলীগের অপসাশনের জবাব পৌর নির্বাচনে দিবে সাধারন ভোটারেরা, তিনি সাধারণ মানুষের ভোটারাধিকার উদ্ধার আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন বলে তিনি জানান।তবে একবারে ভিন্ন কথা বলছেন সতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ আলম লিটন। তিনি বলছেন তার পিতা নুরুল হুদার ন্যায় সাধারণ জনগনের অধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাসহ একটি মডেল পৌরসভা বিনির্মানের পথ দেখাতে চান পৌরবাসীকে। তিনি বলেন পৌর শহরের দির্ঘদিনের যানজট নিরশন, পানি সরবরাহ, পৌর প্রশাসনে সুসাশনপ্রতিষ্ঠাসহ পরিস্কার পরিছন্ন সময়োযোগী একটি আধুনিক মডেল পৌর শহর বিনির্মানে একটি পথতৈরী করতে চান তিনি।এদিকে পৌরসভার সচেতন মহল বলছেন ভোটের দিন-ক্ষন আরো নিকটে আসলেই নির্বাচনের আসলচিত্র ফুটে উঠবে, কার হাতে যাচ্ছে আগামী দিনেরপৌরসভার নেতৃত্ব।