September 26, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ীর পল্লীতে শিক্ষক কর্তৃক যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারপিট ৬জনকে আসামি করে থানায় মামলা॥

ফুলবাড়ীর পল্লীতে শিক্ষক কর্তৃক যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারপিট ৬জনকে আসামি করে থানায় মামলা॥

ফুলবাড়ীর পল্লীতে শিক্ষক কর্তৃক যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারপিট ৬জনকে আসামি করে থানায় মামলা॥

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পল্লীতে শিক্ষক কর্তৃক যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারপিট থানায় মামলা। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার কাজিহাল ইউপির আখি ঘোটনা গ্রামের মৃত গইমুদ্দিন মন্ডল এর পুত্র আব্দুল রশিদ মন্ডল (৪৫) এর ফুলবাড়ী থানায় গত ২৬/০২/২০২১ ইং তারিখে দায়েরকৃত ইজাহার সূত্রে জানা যায়, বিরামপুর উপজেলার গঙ্গাদাশপুর গ্রামের মোঃ খবির উদ্দীন এর পুত্র দেশমা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সাথে গত ২৬/০২/২০২০ ইং তারিখে ইসলামি শরিয়া মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর থেকে আবুল কালাম আজাদ যৌতুকের দাবিত করেন। জামাই এর ভবিষতের কথা চিন্তা করে আব্দুর রশিদ মন্ডল ২ লক্ষ টাকার বিভিন্ন আসবা পত্র প্রদান করেন। মেয়ে নাবালক ও পড়া লেখার সুবিধার কথা বলে আব্দুল রশিদ মন্ডল এর মেয়ে মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা সুরাইয়া বাড়ীতে রেখে যান। তাকে তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ ৭ লক্ষ টাকা তার পিত্রায়ল থেকে আনতে বলেন। সেই যৌতুকের টাকাও তার পিতা পরিশোধ না করার কারণে গত ১৫/০১/২০২১ ইং তারিখে সকাল সাড়ে ১০টায় আখি ঘোটনা গ্রামের আব্দুল রশিদ মন্ডলের বাড়ীতে আবুল কালাম আজাদ, খবির উদ্দীন, মোছাঃ মজিরন বেগম, মিজানুর রহমান, লুৎফর রহমান, মোছাঃ সেলিনা বেগম সহ অন্যান্যরা আসলে তাদেরকে আপায়ন করেন কিন্তু তারা তার মেয়ে কে টাকা ছাড়া নিয়ে যাবে না মর্মে তর্ক বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে মেয়ে মোছাঃ সাদিয়া সুলতানা সুরাইয়া প্রতিবাদ করলে আবুল আজাদ সহ উল্লেখিত আসামীরা মারপিট করে আহত করেন। এসময় বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ভ্যান যোগে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করান। তার অবস্থার অবনতি হলে ঐ দিনে এ্যাম্বুলেন্স করে দ্রুত দিনাজপর এম. আব্দুর রহমান হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। সুস্থা হওয়ার পর মোঃ আব্দুর রশিদ বাদি হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যান দমন আইন ২০০০ এর ১১ (গ) ধারায় মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-২১। তারিখ-২৬/০২/২০২১ইং। মামলা দায়ের করার পর আসামি পক্ষরা মামলার বাদি আব্দুল রশিদ মন্ডল সহ তার মেয়েকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।