December 8, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র॥

ফুলবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র॥

ফুলবাড়ী উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানে আবাসন প্রকল্প না করার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দাখিল॥

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানে আবাসন প্রকল্প না করার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর অভিযোগ দাখিল।
ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির পাঠকপাড়া গ্রামের মৃত জগেন চন্দ্র সরকার এর পুত্র শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস এর অভিযোগে জানা যায়, বর্তমান সরকারের আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি পাঠক পাড়া গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মানে আবাসন প্রকল্প নির্মানের জন্য জরিপ করেন। যার খতিয়ান নং-২,৩,৫,৬,৭,৮ মৌজা পাঠকপাড়া , জেএল নং-১১২, উক্ত খতিয়ানের ৩২ নং দাগে ২৯ শতক জমিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শশ্মান রয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা তাদের আত্মীয় স্বজন মারা গেলে সেখানে দাহ করেন। অপর দিকে ১১৪ দাগে মুসলিমদের কবর স্থান ও রয়েছে যাহার জমির পরিমান ৭৫ শতক। সেখানে মুসলিমরা মৃত ব্যক্তিদের কবরস্থ করেন। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের বাধা অতিক্রম করে সেখানে আবসান প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই দুটি স্থানে যাতে কোন আবাসন গড়ে তোলা না হয় সে জন্য গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস অভিযোগ দাখিল করেন। এদিকে উক্ত গ্রামের শ্রী লক্ষন, দিনবন্ধু, শ্রী স্বপন চন্দ্র দাস, সীমন্ত চন্দ্র সরকার, জানান, আমাদের বাপ দাদাদের ২ শত বছর ধরে সেখানে হিন্দুু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সবকিছু মেনে ঐ শশ্মানে মৃত ব্যক্তিদের কে দাহ করা হয়। এখন সেখানে সরকার আবাসন প্রকল্প করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েছি যাতে করে এখানে আবাসন প্রকল্প না করার জন্য অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোছাঃ কার্ণিজ আফরোজ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ১ নং খাস খতিয়ানে এসএ রেকর্ডে সেখানে ডাঙ্গা রয়েছে। আমরা আবাসন প্রকল্প করছি ১ নং খতিয়ানের ডাঙ্গা জমিতে যাহা খাস খতিয়ানে রয়েছে। কারও কোন ধর্মীয় স্থানে আমরা আবাসন করছিনা।
এ ব্যাপারে পাঠকপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য প্রদ্বীপ কুমার স্থানীয় প্রশাসনের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেনে।