August 5, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ী পৌর পরিষদের সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদান।

ফুলবাড়ী পৌর পরিষদের সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদান।

ফুলবাড়ী পৌর পরিষদের সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদান।

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মামুনুর রশিদ চৌধুরীর সাথে সংঘর্ষ ও লাঞ্চিত করার ঘটনায় সটিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফুলবাড়ী পৌর পরিষদ।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পৌরসভা মিলনায়তনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পৌর পরিষদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফুলবাড়ী পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র মোঃ মাহমুদ আলম লিটন।
পৌর মেয়র মোঃ মাহমুদ আলম লিটন লিখিত বক্তব্যে বলেন গত ২১ এপ্রিল একটি পারিবারিক শালিসের পৌর কাউন্সিলরসহ স্থানীয় কয়েকজন গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গকে লাঞ্চিত করা হয়। এই ঘটনায় শালিসে আসা উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পৌর পরিষদের জনপ্রতিনিধিগণের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তিনি এই অনাকাংখিত ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবী জানান এবং এই দাবী আদায়ের লক্ষে প্রধান মন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর পরিষদের সকল কাউন্সিলরগণ ও পৌর সভার পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফকরুল ইসলাম বলেন ২১ এপ্রিল পৌর কাউন্সিলর মামুনুর রশিদ চৌধুরীসহ আজিজার রহমান শাহ সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় ওইদিন (২১ এপ্রিল) সন্ধা ৬টা ৩০ মিনিটে পৌর কাউন্সিলর মামুনুর রশিদ চৌধুরী ও আজিজার রহমান থানায় এসে ১০জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরর পর থেকে আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসছে, কিন্তু আসামীরা সকলে পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভাব হয়নি।
উল্লেখ্য পৌর এলাকার পশ্চিম গৌরী পাড়া গ্রামের মোজাম্মেল হক শার ছেলে গোলাম মোস্তফা শাহর সাথে একই এলাকার মোবারক হোসেন শাহর ছেলে আজিজার রহমান শাহর জমি নিয়ে বিরোধের জেরধরে গত ২১ এপ্রিল সালিশ বৈঠক করার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষর ঘটনা ঘটে। এই ঘনায় গোলাম মোস্তফাসহ কয়েকজন আহত হয়। একই ঘটনায় পৌর কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মামুনুর রশিদ চৌধুরীতে লাঞ্চিত করার অভিযোগে আজিজার রহমান শাহ ওই দিন (২১এপ্রিল) সন্ধা সাড়ে ৬ টায় ফুলবাড়ী থানায় ১০জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
আসামীরা গুরুতর আহত অবস্থায় বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেয়ার কারনে তাদের গ্রেফতার না করায়, আইনশৃংখলা বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছেন পৌর কাউন্সিলর মামুনুর রশিদ চৌধুরীসহ তার অনুসারীরা।