August 1, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

বিরামপুরে গভীর নলকুপ কৃষক সমিতির নিকট হস্তান্তরের দাবি॥

বিরামপুরে গভীর নলকুপ কৃষক সমিতির নিকট হস্তান্তরের দাবি॥

বিরামপুরে গভীর নলকুপ কৃষক সমিতির নিকট হস্তান্তরের দাবি॥

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
বিরামপুর উপজেলার একটি গভীর নলকুপ অবৈধ ভাবে কুক্ষিগত করার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে ওই গভীর নলকুপটি রতনপুর কৃষক সমবায় সমিতির নিকট হস্তান্তরের দাবিতে উপজেলা সেচ কমিটির নিকট আবেদন করা হয়েছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, রতনপুর কৃষক সমবায় সমিতিকে বিএডিসি ভর্তুকি মূল্যে একটি গভীর নলকুপ বসিয়ে দেয়। রতনপুর কৃষক সমবায় সমিতি ওই গভীর নলকুপটি পরিচালনা করে আসছিল এবং সেখান থেকে স্বল্প মূল্যে কৃষকদের পানি সেচের সুবিধা দেওয়া হতো। কিন্তু কয়েক বছর আগে রতনপুর গ্রামের মৃত: কমর উদ্দিনের পুত্র আবুল কাশেম সমিতির ম্যানেজার ও সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে উক্ত গভীর নলকুপটি নিজের বলে দাবি করে আসছে এবং তিনি নিজেই গভীর নলকুপটি অবৈধ ভাবে পরিচালনা করে আসছেন। তিনি কৃষকদের নিকট থেকে অতিরিক্ত সেচ মূল্য নিয়ে পানি সরবরাহ করে কৃষকদের শোষন করছেন। এ প্রেক্ষিতে সমিতির সদস্যরা ওই গভীর নলকুপটি সমিতির দখলে দেওয়ার দাবিতে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন করেন।
এব্যাপারে উপজেলা সেচ কমিটি ২০২০ সালের ১১মার্চ তারিখের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক উক্ত গভীর নলকুপটি সম্পর্কে বিএডিসির প্রত্যয়নের জন্য জেলা সেচ কমিটির নিকট প্রেরণ করেন। এসম্পর্কে বিএডিসি দিনাজপুর রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী ৪৪৫নং স্মারকের পত্র মূলে বিরামপুর উপজেলা সেচ কমিটিকে জানান যে, গভীর নলকুপটি ১৯৯০ সালের ২৯ নভেম্বর আবুল কাশেমের নিকট বিক্রি হিসাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে ম্যানেজার ও সভাপতির স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে ২০০৭ সালের ১৭ জুলাই বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কৃষক সমবায় সমিতির মালিকানাধীন গভীর নলকুপ অবৈধ ভাবে বিক্রি না করার জন্য মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নির্দেশনা জারি করেছে। কিন্তু নির্দেশনার পরও রতনপুর কৃষক সমবায় সমিতির নিকট গভীর নলকুপটি ফেরত দেওয়া হয়নি।
রতনপুর কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যরা গভীর নলকুপটি দ্রুত ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।