October 28, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

বীরগঞ্জের প্রতিবন্ধী অসহায় আলমগীর বাঁচতে চায়

বীরগঞ্জের প্রতিবন্ধী অসহায় আলমগীর বাঁচতে চায়

বীরগঞ্জের প্রতিবন্ধী অসহায় আলমগীর বাঁচতে চায়

দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাহাতাবপুর গ্রামের জনৈক সামছুল হক ও আলেয়া বেগম দম্পতির ২ ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে শারিরীক প্রতিবন্ধী স্পোর্টস ইনজুরী রোগে আক্রান্ত অসহায় আলমগীর হোসেন (৩২)বাঁচতে চায়। জীবন সংগ্রামে পরাজিত না হলেও আজ সে দূরারোগ্য ব্যাধীর আক্রমনে পরাজিত অসহায় মানুষ। সারাটা জীবন দারিদ্রতার নির্মমতা তাকে দূর্বল করতে না পারলেও পায়ে আক্রান্ত ঘাতক ব্যাধী পুরো পরিবারকে দূর্বল করে ফেলেছে। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া আলমগীর হোসেন অতি কষ্টের মধ্যেও গোলাপগঞ্জ হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করাকালীন ২০১০ সালে প্রায় ১১বছর আগে অবিবাহিত অবস্থায় হঠাৎ প্যারালাইসিস (স্পোর্টস ইনজুরী রোগে) আক্রান্ত হয়ে পরে।এখন তার পায়ের বিভিন্ন স্থান ফুলা ঘাঁ সহ শারিরীক ভাবে অনেক দূর্বল হয়ে পরেছে। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক,রংপুর সহ অনেক ডাক্তারের চিকিৎসা বিফলে গেছে, কিন্তু আলমগীর তার সেই সুস্থ্য জীবন ফিরে পায়নি। আর বাঁচার তাগিদে এখনও প্রতিদিন তাকে সর্বনি¤েœ দুইশত টাকার ঔষধ কিনে সেবন করতে হয় নচেৎ আরোও অসুস্থ হয়ে যায় সে। বড় ভাই দরিদ্র ভ্যানচালক জাহিরুল বিবাহিত ও আলাদা খাওয়ায় এ অবস্থাতেও আলমগীর তার বৃদ্ধ বাবা- মা সহ মরিচা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে হুইল চেয়ারে বসে ছোট্ট একটি ঘুন্টি দোকানে পান,সিগারেট, চা বিক্রি করে খেয়ে না খেয়ে অর্ধাহারে অনাহারে জীবন চলছে তাদের। একটু উন্নত চিকিৎসা হয়তো বা এই প্রতিবন্ধী আলমগীরের জীবনে হয়ে আসতে পারে সুস্থ্যতার এক নতুন অধ্যায়। কিন্তু চিকিৎসার জন্য দরকার অনেক টাকা, যা তার পরিবারের পক্ষে ব্যায় করা অসম্ভব হয়ে পরেছে। মাত্র ৩ শতক জমির উপর কোন রকমে মাথা গুজে জীবন কাটানো এই পরিবারটির সামনে শুধু ঘোর অন্ধকার। সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চাওয়া ছাড়া এখন আর তাদের কাছে কোনও উপায় নাই।বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্ত আলমগীর জানান, আগের হুইল চেয়ারটির ভাঙ্গাচুরা অবস্থা দেখে দেড় মাস আগে বীরগঞ্জের মানবসেবী সোহেল আহমেদ তাঁকে একটি নতুন হুইল চেয়ার কিনে দেন। শনিবার দুপুরে দোকানের সামনে হুইল চেয়ারে বসে থাকা প্রতিবন্ধী আলমগীর বলেন,সুন্দর এ পৃথিবীতে বুক ফুলিয়ে নিঃস্বাস নিতে চাই, আমি বাঁচতে চাই, সুস্থ্য সুস্থ জীবন ফিরে পেতে চাই । তাই কেবলমাত্র সমাজের বিত্তবানরাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আমাকে বাঁচাতে পারে। আমাকে সাহায্য পাঠানোর বিকাশ (পারছোনাল) / নগদ নাম্বার-০১৭৪০১৫৪৫৩০।