April 16, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

বীরগঞ্জে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ স্থাপনের চেষ্টা, আদালতে মামলা॥

বীরগঞ্জে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ স্থাপনের চেষ্টা, আদালতে মামলা॥

বীরগঞ্জে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ স্থাপনের চেষ্টা, আদালতে মামলা॥

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমিতে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ স্থাপনের চেষ্টা, আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার সুজালপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের দিক নির্দেশনায় ছিন্নমূল মানুষের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প-২-এর অধিনে বাড়ী-ঘর নির্মাণের জন্য উপজেলা ভুমি প্রশাসনের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে দৌলতপুর মৌজার ব্যক্তি মালিকানাধীন ১৬৬ দাগে বিভিন্ন মালিকের জমিতে তাদেরকে পুর্নবাসন উদ্যোগ নেয়ার কারনে সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বাদী হয়ে দিনাজপুর সহকারী জজ আদালতে সুজালপুর ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৭৬/২০২০ অন্য। একই পরিবারের আমেরিকা প্রবাসী ফতেনুর আলম বাবুর পক্ষে আমমোক্তার মোঃ শাহীনুর রহমান সাজু বাদী হয়ে ৭৫/২০২০ অন্য মামলা দায়ের করেছেন।
মামলায় অন্যান্য বিবাদিরা হলেন সহকারী কমিশনার (ভুমি) বীরগঞ্জ, উপজেলার নির্বাহী অফিসার বীরগঞ্জ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও জেলা প্রশাসক দিনাজপুর। বিজ্ঞ আদালত বিবাদিগনের বিরুদ্ধে ১০ দিনের কারন দর্শানো নোটিশ দিয়ে সমন জারি করেছেন মর্মে বাদীগন প্রমানসহ জানান। বিবাদিগনের পক্ষে নোটিশ প্রাপ্তীর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার। বাদীগন এবং ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস কারীরা আরও জানান তারা দীর্ঘ ৬০-৬৫ বছর যাবত ওই সকল জমি ভুমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ করত শান্তিপূর্ণ ভোগ দখল করছেন, চলতি জরিপে তাদের স্ব স্ব নামে রেকর্ড ভুক্ত হয়েছে। অথচ প্রশাসন যাচাই বাচাই না করেই লাল ঝান্ডা ও সাইনবোর্ড দিয়ে মারাত্মক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বীরগঞ্জ মোঃ আব্দুল কাদের সাংবাদিকদের রবিবার বিকালে জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রকল্পের জন্য সরকারী খাস জমি চিহ্নিত করন চলছে। যাদের বৈধ কাগজ পত্র রয়েছে সেখানে কোন মতেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না। কেবলমাত্র যে সব ইউনিয়নে সরকারি খাস ভুমি পাওয়া যাবে সেখানেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। দৌলতপুর মৌজায় প্রস্তাবিত স্থানের জমি সরকারি খাস না হলে কোন মতেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না। কার্যক্রম আরম্ভ হওয়ার পুর্বেই যেহেতু আদালতে ভুমির মালিকানা দাবী করে একাধিক মামলা হয়েছে সুতরাং প্রকল্প অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হবে।
উপজেলায় ১১টি ইউনিয়নে ১ম প্রর্যায়ে ৩০০ ও ২য় দফায় ৫০টি মোট ৩৫০টি বাড়ীর বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং নির্মাণ করে ছিন্নমুল পরিবার গুলো পুনর্বাসন কাজ চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ঘোষনা ২০২১ সালের মধ্যে দেশে গৃহহীন থাকবে না। সেই ঘোষনা ও ধারা বাহিকতায় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চলেছে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।