April 20, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

বড়পুকুরিয়া কাদেরিয়া দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসায় আয়া পদে নিয়োগে অনিয়ম ॥

বড়পুকুরিয়া কাদেরিয়া দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসায় আয়া পদে নিয়োগে অনিয়ম ॥

বড়পুকুরিয়া কাদেরিয়া দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসায় আয়া পদে নিয়োগে অনিয়ম ॥

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কাদেরিয়া দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসায় আয়া, পরিচ্ছন্নকর্মী ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগে কমিটির অনিয়ম দূর্নীতি।
পার্বতীপুর উপজেলার বৈদ্ধনাথপুর গ্রামের মৃত আহাদ আলীর পুত্র মোঃ আব্দুল জলিল ও একই গ্রামের মৃত কোরবান আলীর পুত্র মোঃ নূর ইসলামের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, বড়পুকুরিয়া কাদেরিয়া দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসায় ১জন নিরাপত্তা কর্মী, ১জন আয়া, ১জন পরিচ্ছন্ন কর্মী সহ মোট ৩টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১৫টি। এর মধ্যে অভিভাবক সদস্য মোঃ আব্দুল জলিলের মেয়ে মোছাঃ জেসমিন আক্তার বানু আয়া পদে নিয়োগের কথা বলে কমিটির সভাপতি ও মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ৪ লক্ষ টাকা করে ২ প্রার্থীর নিকট থেকে মোট ৮ লক্ষ টাকা গ্রহণ করার অভিযোগ উঠেছে। গত ০১/০১/২০২১ ইং তারিখে শুক্রবার সকাল ৯ ঘটিকায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস পার্বতীপুর, দিনাজপুর কার্যালয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অভিভাবক সদস্যের মেয়েকে না নিয়ে বিত্তশালীদের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে নিয়োগ সম্পন্ন করেছেন। আবেদনকারীরা গরিব মানুষ হওয়ায় তাদের ভাগ্যে জুটল না আয়া পদের চাকুরী। উল্লেখ্য যে, গত ২১/০৭/২০২০ ইং তারিখে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে তারা ঐ বিজ্ঞপ্তির আলোকে প্রাধান্য দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে চাকুরীর জন্য আবেদন করে এবং অগ্রীম টাকা গ্রহণ করে কমিটি। বর্তমান ঐ মাদ্রাসায় এই নিয়োগ নিয়ে বিশাল একটি বাণিজ্য হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা অভিযোগ করেন। বড়পুকুরিয়া কাদেরীয়া দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল জলিলের নিকট ৪ লক্ষ টাকা চাকুরী দেওয়ার কথা বলে গ্রহণ করে কিন্তু চাকুরী না দিয়ে অগ্রণী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখার ২ লক্ষ টাকার একটি চেক ফেরত দেন। যাহার চেক নং-৩১৯১-১৭১০৯৬৫। এতে প্রমাণ হয় সুপার এবং সভাপতি উভয় মিলে যোগসাজোশে নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন।
বর্তমান তাদের চাকুরী না হওয়ায়ও সম্পূর্ণ টাকা ফেরত না পাওয়ায় হতাশায় পড়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে মাদ্রাসার সভাপতির সাথে গতকাল শনিবার সরাসরি এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, সুপার আমাকে এড়িয়ে গিয়ে এই নিয়োগের কাজটি সম্পূর্ণ করেছেন। এতে আমার কিছু করার নেই।