September 22, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

রাজারহাটে বুড়িরহাট স্পারবাঁধে আবারো ধ্বস

রাজারহাটে বুড়িরহাট স্পারবাঁধে আবারো ধ্বস

রাজারহাটে বুড়িরহাট স্পারবাঁধে আবারো ধ্বস

এ.এস.লিমন, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) থেকে:
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের বুড়িরহাট স্পারবাঁধটিতে আবারো ধ্বসে তিস্তা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার বিকেলে নদীগর্ভে একাংশ নিমিষেই ধ্বসে যায়। ধ্বসে যাওয়া স্পারবাঁধটিতে গত দুইমাস ধরে কয়েক হাজার জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলানো হলেও স্থায়ী ভাবে সংষ্কার না হওয়ায় স্পারবাঁধের বাম পাশে তীব্র ¯্রােতের আঘাত হানার ফলে মুহুর্তে ধ্বসে যায় স্পারের অংশটুকু।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) স্পারবাঁধটি রক্ষা করতে স্থানীয় জনসাধারণ ও পূর্বে থেকে স্পারের কাজ করা শ্রমিকদের দিয়ে শুক্রবার ভয়েলগেট মেশিন দিয়ে প্রায় ৪০টি জিও টিউবের ব্যাগে বালু ভর্তি করে ধ্বসে যাওয়া অংশে ফেলে পূরণ করা হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার মন্ডল বাবু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বুড়িরহাট স্পারবাঁধটি নির্মাণ করেছে অথচ প্রতিবছর বর্ষা মওসুম এলে স্পারবাঁধের বিভিন্ন অংশ তিস্তা নদীতে ধ্বসে যায়। ধ্বসে যাওয়া অংশ পুনঃসংস্কার করার কয়েক দিনের মধ্যে আবার ধ্বসে যাচ্ছে। এতে সরকারে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আমরা সরকারের কাছে স্থায়ীভাবে নদী শাসনের জোর দাবী জানাচ্ছি।
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান সহ: অধ্যাপক রবীন্দ্রনাথ কর্মকার বলেন, প্রতিনিয়তই ভাঙ্গছে তিস্তা নদী। সরকার নদী শাসনের জন্য মেগা প্রকল্প চালু করার কথা থাকলেও কাজ শুরু না হওয়ায় নদী ভাঙ্গন ঠেকানো যাচ্ছে না। কবে নাগাদ এ প্রকল্প চালু হবে, সেটাও কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলতে পারে না। কোথাও ভাঙ্গন দেখা দিলেই দায়সারা সংষ্কার করেই যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এতে করে জনদূর্ভোগ লাঘব হচ্ছে না।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিও মাহমুদুল হাসান বলেন, বুড়িরহাট স্পারবাঁধটির ধ্বসে যাওয়ার খবর পেয়ে একটানা কাজ করে ধ্বসে যাওয়া অংশটুকু জিও টিউব এর বস্তায় বালু ভর্তি করে মেরামত করতে সক্ষম হয়েছি। তিস্তার অন্যান্য জায়গায় ভাঙ্গন ও মেরামত প্রসঙ্গে বলেন, তিস্তায় মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার, তাই স্থায়ীভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। এমারজেন্সি ফান্ড থেকে যেটুকু কাজ করছি, সেটার বরাদ্দও অপ্রতুল। সরকার বরাদ্দ বাড়ালে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হবে।