April 14, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম তুরাগ থানার এস আই নিয়াজ

সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম তুরাগ থানার এস আই নিয়াজ

সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম তুরাগ থানার এস আই নিয়াজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ দমনসহ দেশ সেবায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন । এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাহসী পুলিশ অফিসারেরা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে চলেছেন । তবে এসব সাহসী পুলিশ অফিসারের মধ্যে অন্যতম একজন পুলিশ অফিসার হলেন ডি এম পির তুরাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) নিয়াজ মোঃ শরিফ । তিনি আইনের সেবা করতে গিয়ে কখনোই অপরাধীদের সাথে আপোষ করেননি । যে কারনে তার সাফল্যের পাল¬া দিনে দিনে ভারি হয়ে উঠছে । সাম্প্রতিক সময়ে তিনি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন কারীদের কাছে আতঙ্ক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন বলে মনে করছেন সর্ব মহল । ইতোপূর্বে তিনি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন রকম বাঁধা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং হচ্ছেন । তারপরও তিনি দমেননি । পুলিশের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে ও জনগণের সেবা করার ব্রত সঠিকভাবে পালন করার কারনেই তিনি অনেক সাফল্য লাভ করেছেন ।জানা যায়, পুলিশের উপ পরিদর্শক (এস আই) নিয়াজ মোঃ শরিফ চাকরি জীবনে সবসময়ই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেন এবং আছেন । একটি সূত্রে জানাযায়, এক মাত্র তার কারনেই তুরাগের মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা বর্তমানে ভারী বেকায়দায় পড়েছেন । তুরাগ থানা এলাকা এক সময়ের মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ঘটেছে এর বিপরীত । আর এসব মাদক ব্যবসায়ীদের আখড়া গুড়িয়ে দিয়ে মাদক মুক্ত দেশ গড়ায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন নিয়াজ মোঃ শরিফের মত পুলিশ অফিসারেরা । দেশের বিভিন্ন এলাকার মত তুরাগেও রয়েছে মাদক ব্যবসায়ীদের শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট । আর এই শক্তিশালী মদক ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের সদস্যরা পারস্পারিক যোগ সাজেসে এস আই নিয়াজ মোঃ শরিফের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে বলে দাবী করেছেন তুরাগের সচেতন মহল । গত ১৬ জানুয়ারী এস আই নিয়াজ মোঃ শরিফ সঙ্গীয় ফোর্সসহ একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে তুরাগের ১৭নং সেক্টরের ২নং ব্রিজের পাশ থেকে জৈনক ইয়ার আলী খান নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ৪পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে । এসময় উক্ত মাদক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে তার বাসায় আরও ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে । বিষয়টি তৎক্ষণাৎ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করেন এস আই নিয়াজ মোঃ শরিফ । তার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মাদক ব্যাবসায়ী ইয়ার আলী খানের বৃন্দাবন এলাকার একটি বস্তির বাসায় তল-াশি করে আরও ৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় । এই ব্যাপারে এস আই নিয়াজ মোঃ শরিফ বাদী হয়ে মাদক আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । যার মামলা নং- ২৬,তাং- ১৭/১/২০২১ইং । আর এই ঘটনাটিকে কেদ্র করে মাদক ব্যবসায়ী ইয়ার আলী খানের ছেলে শরিফুল ইসলাম রনি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরে এস আই নিয়াজ সহ উক্ত মাদক বিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বাসায় তল¬াশি কালে আলমারির তালা ভেঙ্গে ১৩ লাখ টাকা নেওয়া ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মারধরের অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । আলমারির তালা ভেঙ্গে টাকা নেওয়া ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মারধরের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন এস আই নিয়াজসহ অভিযানে অংশ নেওয়া অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা । আর এই অভিযোগের বিষয়টিকে চোরের মায়ের বড়গলা বলে মন্তব্য করছেন এলাকার সচেতন মহল । পুলিশের একটি সূত্রে জানাযায়, মাদক ব্যবসায়ী ইয়ার আলী খানের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলাও রয়েছে ।