April 18, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

সুন্দরগঞ্জে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন

সুন্দরগঞ্জে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন

সুন্দরগঞ্জে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন

গাইবান্ধাঃগাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের পশ্চিম খামার গ্রামে শিল্পী বেগম নামে ২ সন্তানের এক জননীকে অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন স্বামী মিজানুর রহমান তার বাবা হাসেন আলী, মা মিনারা বেগম ও ছোট ভাই মেছের আলী। এ ঘটনায় আহত শি
ল্পী বেগম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ২ মেয়ে নিয়ে এখন বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
 জানা যায়, বহু বিয়েতে অভ্যস্ত মিজানুর রহমান
১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ স্ত্রীকে ছেড়ে ৫ম স্ত্রী নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেন। শিল্পী বেগম তার মেয়ে মিম আক্তার (১১) ও মিথিলা আক্তার (৪)কে নিয়ে স্বামীগৃহে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করেন। এরপর গত ১০ ডিসেম্বর বিকেলে বাড়ি এসে মোটা অঙ্কের টাকা যৌতুক দাবী করে মিজানুর তার বাবা, মা ও ছোট ভাইয়ের অমানুষিক নির্যাতনে গুরুতর আহত শিল্পী বেগমকে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসা শেষে তার বাবা উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের পশ্চিম বেলকা গ্রামের আঃ হাকিম ২ নাতনীসহ মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। এ ব্যাপারে শিল্পী বেগম জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে কোন যোগাযোগ করে না। এমনকি সন্তানদের খোরপোষ ও লেখা-পড়া বাবদ কোন টাকা-পয়সা না দিয়ে নিজেকে আড়াল করে। এরই একপর্যায়ে বাড়ি এসে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারপিট করার পর তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় স্বামী মিজানুরসহ পরিবারের সবাই। ইতোপূর্বে মিজানুর আরও কয়েকবার নির্যাতন করলে স্থানীয়ভাবে সালিশ ও ব্রাক মানবাধিকার কর্মসূচীতে অভিযোগ মর্মে মিমাংসা হলেও মিজানুর পূর্বের মতই থেকে যায়। এবারের ঘটনায় সে তার স্বামীসহ পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে কয়েক দফা মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে মিজানুর রহমান তার মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য আইনুল হক জানান, কিছুদিন আগে মিজানুুর ঢাকা থেকে একটা মেয়ে আসলে সালিশ হবার পর তাররা আবার ঢাকায় চলে যায়। এছাড়া, বাড়িতে যে স্ত্রী ও ২ মেয়ে আছে তাদের কোন খোঁজ-খবর নেয় না বলে জানি। তবে, এবারের যৌতুক দাবিতে মারপিটের ঘটনায় আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে, বিষষয়টি লোক মুখে শুনেছি।