October 21, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

হরিজনের নাবালিকা মেয়ে ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ

হরিজনের নাবালিকা মেয়ে ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ

হরিজনের নাবালিকা মেয়ে ধর্ষণকারীদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ

রংপুরঃ আজ ২১জুন,সোমবার বেলা ১২টায় কাচারি বাজার চত্ত্বরে হরিজন অধিকার আদায় সংগঠন, রংপুর এর উদ্যোগে হরিজন নাবালিকা মেয়ে ঝর্ণা রানী বাসফোরের ধর্ষণকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত,নির্যাতিত হরিজন পরিবারকে দ্রুত আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে রাজু বাসফোর এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন হরিজন অধিকার আদায় সংগঠন এর সভাপতি সুরেশ বাসফোর। বক্তব্য রাখেন হরিজন অধিকার আদায় সংগঠন এর সাধারণ সম্পাদক সাজু বাসফোর, জয় বাসফোর, উপদেষ্টা শবরন বাসফোর প্রমুখ। বক্তারা বলেন গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জে সর্বানন্দ গ্রামে হরিজন জনগোষ্ঠীর এক পরিবার বসবাস করে আসছে। গত দেড় মাস আগে গ্রামের এক প্রভাবশালীর সন্তান মোতালেব বিয়ে করার কথা বলে প্রতারণা করে দেড় মাস হরে ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় উক্ত গ্রামের হরিজন সম্প্রদায়ের নাবালিকা মেয়ে ঝর্ণা রানী বাসফোরের উপর।গত ছয় দিন আগে অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে বাড়ির রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে যায় মোতালেব , তারপর সেখানে সাবেক ইউপি মেম্বার হায়দার ও মতিন বিচারের কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য গেলে হায়দার আবার জোরপূর্বক বিচারের কথা বলে মতিনের কাছে মেয়েটিকে দিয়ে দেয়,তারপর মতিন ও একজন সবজি বিক্রেতা আবার বিচারের কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করে।এভাবে বিচারের নামে টাল বাহানা করে যৌন নির্যাতন চলতে থাকে। সেদিন একজন সংবাদিক বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি সুন্দরগঞ্জের এসপি মহোদয়কে ফোন করলে সাথে সাথে এসপি মহোদয় সংশ্লিষ্ট থানায় অগবত করলে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।ঝর্ণা রানী বাসফোর এখন সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।নির্যাতনের শিকার হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন ঝর্নার মা।মামলার আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।তাই নির্যাতিত পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।বক্তারা দাবি জানান যে,অবিলম্বে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত ও নির্যাতিত পরিবারকে দ্রুত আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।সমাবেশ শেষে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।