January 18, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

হলুদে ছেঁয়ে গেছে খানসামার বিস্তৃর্ণ মাঠ

হলুদে ছেঁয়ে গেছে খানসামার বিস্তৃর্ণ মাঠ

হলুদে ছেঁয়ে গেছে খানসামার বিস্তৃর্ণ মাঠ

এস.এম.রকি, খানসামা (দিনাজপুর)  প্রতিনিধিঃ সরিষার হলুদে ফুলে ভরে উঠেছে দিনাজপুরের খানসামা  উপজেলায় বিস্তৃর্ণ মাঠ। মৌ-মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে চারদিক।বিস্তৃর্ণ মাঠে দু’চোখ যতদুর যায় ততদুর হলুদ আর হলুদ এবং সরিষা ফুলের ম-ম গন্ধে ভরে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। তাতে ফসলের মাঠে ছড়াচ্ছে এক নান্দনিক আবহ। মাঠ ভরা এ হলুদ ফুলে স্বপ্ন বুনছে কৃষক। আর এই ফুলকে ঘিরে হাজার হাজার মৌমাছি ও প্রজাপ্রতির আনোগোনা আকৃষ্ট করছে সৌন্দর্যপিপাসু দর্শনার্থী ও কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, জেলার ছোট্ট এ উপজেলায় গত মৌসুমে ৮৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। এবার আবাদ বেড়ে ৯৬৫ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সরিষা চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

উপজেলার ছাতিয়ানগড়, পাকেরহাটসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সরিষার হলুদ ফুলে সেজেছে ফসলের মাঠ।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,  সরিষা আবাদে খরচ কম হয় এবং লাভ হয় বেশী এবং সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ, সরিষা শাক, সরিষা থেকে ভালো মানের তেল উৎপাদন করা যায়। ফলে চলতি মৌসুমে সরিষার আবাদ কিছুটা বেড়েছে। এক মাসের মধ্যে সরিষা ঘরে উঠবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলার আংগারপাড়া গ্রামের কৃষক মোতাহার হোসেন জানান, তিনি চার বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। ফুল বেশ ভালো ধরেছে। হঠাৎ বৃষ্টি না হলে ফলনও ভালো হবে। ঠিক মতো ফসল ঘরে তুলতে পারলে তিনি কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ করবেন বলে আশা করছেন।

সরিষার আশানুরূপ ফলন হওয়ার আশা ব্যক্ত করে খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বাসুদেব রায় জানান, তেল জাতীয় ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ ও পরামর্শ প্রদান
করা হচ্ছে। এছাড়া সরিষা চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় এ বছর তারা বেশি জমিতে চাষ করছেন। এতে এক জমিতে দুই বেশীর ফসল চাষাবাদ করে কৃষকরা সফল হচ্ছে।