September 23, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

খানসামায় উচ্চ ফলনশীল বারি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য

খানসামায় উচ্চ ফলনশীল বারি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য

খানসামায় উচ্চ ফলনশীল বারি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য

এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে প্রান্তিক চাষিদের জন্য সহজলভ্য করতে উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় কৃষক পর্যায়ে প্রথমবারের মত কালো সোনা নামে খ্যাত উচ্চ ফলনশীল বারি পেঁয়াজ-১ এর বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষনে পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য পেয়েছে উপজেলার কাচিনীয়া গ্রামের এসএমই কৃষক মোঃ শরিফুল ইসলাম।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ও কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল,তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন,সংরক্ষণ ও বিতরণ (তৃতীয় পর্যায়) এর আওতায় ৫নং ভাবকী ইউনিয়নের এসএমই কৃষক শরিফুল ইসলামকে বারি পেঁয়াজ-১ জাতের কন্দ প্রদান করা হয়েছে। এর আগে কৃষক শরিফুলকে চাষ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন পদ্ধতি, সংরক্ষন পদ্ধতি ও বাজারজাত করন প্রক্রিয়া বিষয়ে বগুড়া, দিনাজপুর ও খানসামায় একাধিকবার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এরপরে তিনি গত বছরের নভেম্বর মাসে সম্ভাবনাময় বারি পেঁয়াজ-১ জাতের বীজ এক একর জমিতে চাষ করেছেন। বর্তমানে পেঁয়াজের ফুল থেকে বীজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনা অনুযায়ী প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রথমবােের মত স্থানীয়ভাবে বীজ উৎপাদনে পরীক্ষামূলক চাষ করছি। পেঁয়াজের কন্দ বাদে জমি তৈরি,সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং পরিচর্যা বাবদ এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৫৫-৬০ হাজার টাকা। চাষকৃত এসব ফুল থেকে প্রতি একরে ২শ থেকে ২শ ৫০ কেজি পর্যন্ত বীজ সংগ্রহ হবে বলে আশা করছি। এসব বীজ সংরক্ষণ করে বাজারজাতকরণে কৃষি মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। তাই সহজেই বাজারজাত করে লাভবান হওয়া যাবে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ বাসুদেব রায় বলেন, পেঁয়াজ বাংলাদেশের একটি অর্থকরী মসলা জাতীয় ফসল ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্য। কালো সোনা খ্যাত পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন একটি লাভজনক প্রযুক্তি। রবি মৌসুমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষীরা অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারে। কৃষি বিভাগ থেকে উপজেলার পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, সংরক্ষন ও বিপননে চাষীদের নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। এতে চাষিরা ফসল চাষাবাদে স্বনির্ভর হবেন এবং কৃষকরা ভালো বীজের ভালো ফসল ও ভালো মুনাফা পাবেন।