January 21, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

বীরগঞ্জে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন!

বীরগঞ্জে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন!

বীরগঞ্জে মাঠে মাঠে দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন!

খায়রুন নাহার বহ্নি, বীরগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধি ঃ দিনাজপুর জেলার খাদ্য ভান্ডার বলে খ্যাত বীরগঞ্জ উপজেলা বাংলাদেশের কৃষিখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে । এরই ধারাবাহিকতায় এ অঞ্চলের মাটিতে চাষ হচ্ছে নানান ধরণের কৃষিপন্ন। যার একটি অংশ দখল করেছে বোরো ধান চাষ। এবারে বোরো ধানকে ঘিরে মাঠ গুলোতে দোল খাচ্ছে প্রান্তিক কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। এ বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার প্রান্তিক চাষিরা।
উপজেলার সুজালপুর, মোহাম্মদপুর, মোহনপুর, পাল্টাপুর ও সাতোরের মাঠগুলোতে যেন সবুজের সমারোহ। আদিগন্ত মাঠ জুড়ে চাষ হয়েছে বোরো ধানের। মাঠের দিকে তাকালে যেমন চোখ জুড়ে যায়, তেমনি ধানের ফলনের মাত্রার দিকে তাকালেও যেন এক আত্মতৃপ্তি আসে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এলাকার ধান চাষিরা।
উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের ধানচাষি জয়নাল আবেদীন বলেন, চলতি বছরে ধানের তেমন কোন রোগ বালাই না থাকার ফলে গত বছরের ন্যায় এবারো ধানের বাম্পার ফলন দেখা যাচ্ছে।তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে গত বছরের ন্যায় এবারো ধানের বাম্পার ফলন সহ উচ্চ দামে বোরো ধান বিক্রয় সম্ভব হবে। তিনি বলেন যে এলাকায় উচ্চ ফলনশীল আটাশ, ব্রি-ধান-২৯, ব্রি-ধান-৫৮, ব্রি-ধান-৭৪, ছাড়াও বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের ও স্থানীয় জাতের ধানের চারা রোপন করা হয়েছে।
উপজেলার নিজপাড়া ইউপির কৃষক আব্দুল জলিল ও সুজালপুর ইউপির দক্ষিণ কমরপুর গ্রামের কৃষক মো.আব্দুর রহিম জানান যে, অধিকাংশ জমিতে বোরো ধান বের হওয়া প্রায় শেষের দিকে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে তারা বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা করছেন। বোরো চাষিরা যেন সঠিক ভাবে ফসল চাষাবাদ ও পরিচর্যা করতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রেখে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগন মাঠে গিয়ে সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছেন ।
এ ব্যাপারে বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে ১৫ হাজার ১শত হেক্টর জমিতে ইরি- বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় অল্প সময়ে কৃষকরা জমিতে চাষাবাদ করছেন। এ বছর আবহওয়া আনুকুলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন ও ন্যায্য মূল্য পেলে এ এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। ধানের নায্য মুল্য পাওয়া কৃষকরা বেশি করে ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে।