January 25, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

সকালটা ছিল মিষ্টি, সেটি তাইজুল ইসলামের কল্যাণে। দুপুরটা হলো দুর্দান্ত—তাইজুলের তুলে নেওয়া ৭ উইকেটেই। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অলআউট করে ৪৪ রানের লিড—দিনটা নিজেদের মনে করাচ্ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ বেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিকেলটাকে বিবর্ণই মনে হচ্ছে বাংলাদেশের। আউট হয়ে ফিরেছেন সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন ও সাইফ হাসান। মুশফিকের কাঁধে এখন বড় দায়িত্ব মুশফিকের কাঁধে এখন বড় দায়িত্বছবি: শামসুল হক চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে ৮৩ রানে। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানের দ্রুত ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবিধাটুকু পুরোপুরি নিতে দিচ্ছে না মুশফিক-মুমিনুলদের। তবে দিনের শেষ প্রান্ত এসে শাহিন শাহ আফ্রিদির বোলিং তোপ সামলেছেন মুশফিকুর রহিম ও অভিষিক্ত ইয়াসির আলী। মুশফিক দিন শেষে অপরাজিত আছেন ৩০ বলে ১২ রানে, ইয়াসির অপরাজিত ৩৪ বলে ৮ রান করে। বাংলাদেশের পড়া ৪ উইকেটের ৩টি পেয়েছেন আফ্রিদি, একটি আগের ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া পেসার হাসান আলী। ৬ ওভার বোলিং করে ৪ মেডেনে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি। টেস্টে রানের খাতা খুলেছেন ইয়াসির টেস্টে রানের খাতা খুলেছেন ইয়াসিরছবি: শামসুল হক বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন ৪৪ রানে এগিয়ে থেকে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য অবশ্যই ছিল প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং-পারফরম্যান্সের কাছাকাছি কিছু করে লড়াইয়ের রসদ সংগ্রহ করা। কিন্তু দলের পরিবেশ থমথমে হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। দুই ওপেনার সাদমান আর সাইফ ১৪ রান পর্যন্ত তুলতেই শাহিন শাহর আঘাত। সাদমানকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার। ১৪ রানের জুটি গড়ে দিনশেষে অপরাজিত মুশফিক–ইয়াসির ১৪ রানের জুটি গড়ে দিনশেষে অপরাজিত মুশফিক–ইয়াসিরছবি: শামসুল হক তিন নম্বরে নাজমুল হোসেন নেমে টিকেছেন মাত্র ২ বল। তিনিও শাহিন শাহর শিকার। স্লিপে আবদুল্লাহ শফিককে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। অধিনায়ক মুমিনুলও টিকেছেন ২ বল। বাজে শট খেলে হাসান আলীর বলে আজহার আলীকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। সাইফ এরপরও টিকে ছিলেন কিছুক্ষণ। উইকেট বৃষ্টির মাঝে ৩টি বাউন্ডারিও মেরেছেন। কিন্তু বাউন্সারের বিপক্ষে আবারও নিজের দুর্বলতা দেখিয়ে শাহিন শাহর হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা এক বলে বিদায় নেন তিনি। নিজেই ক্যাচ নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শেষ বিকেল আগুন ঝরিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি শেষ বিকেল আগুন ঝরিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদিছবি: শামসুল হক বিজ্ঞাপন মুশফিক মাঠে নেমে সাইফকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন। সে জুটি ভাঙার পর তাঁকে সংগত দিচ্ছেন ইয়াসির। পঞ্চম উইকেট জুটিতে আপাতত দিন শেষে ১৪ রান যোগ করেছেন দুজন। ইয়াসির স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের রানের খাতা খুলেছেন। দিন শেষ হওয়ার আগে আর কোনো উইকেট পতন ঠেকাতে পেরেছে এ জুটি। কিন্তু দিনটা দারুণভাবে শেষ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো দলকে।

সকালটা ছিল মিষ্টি, সেটি তাইজুল ইসলামের কল্যাণে। দুপুরটা হলো দুর্দান্ত—তাইজুলের তুলে নেওয়া ৭ উইকেটেই। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অলআউট করে ৪৪ রানের লিড—দিনটা নিজেদের মনে করাচ্ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ বেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিকেলটাকে বিবর্ণই মনে হচ্ছে বাংলাদেশের। আউট হয়ে ফিরেছেন সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন ও সাইফ হাসান। মুশফিকের কাঁধে এখন বড় দায়িত্ব মুশফিকের কাঁধে এখন বড় দায়িত্বছবি: শামসুল হক চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে ৮৩ রানে। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানের দ্রুত ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবিধাটুকু পুরোপুরি নিতে দিচ্ছে না মুশফিক-মুমিনুলদের। তবে দিনের শেষ প্রান্ত এসে শাহিন শাহ আফ্রিদির বোলিং তোপ সামলেছেন মুশফিকুর রহিম ও অভিষিক্ত ইয়াসির আলী। মুশফিক দিন শেষে অপরাজিত আছেন ৩০ বলে ১২ রানে, ইয়াসির অপরাজিত ৩৪ বলে ৮ রান করে। বাংলাদেশের পড়া ৪ উইকেটের ৩টি পেয়েছেন আফ্রিদি, একটি আগের ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া পেসার হাসান আলী। ৬ ওভার বোলিং করে ৪ মেডেনে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি। টেস্টে রানের খাতা খুলেছেন ইয়াসির টেস্টে রানের খাতা খুলেছেন ইয়াসিরছবি: শামসুল হক বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন ৪৪ রানে এগিয়ে থেকে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য অবশ্যই ছিল প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং-পারফরম্যান্সের কাছাকাছি কিছু করে লড়াইয়ের রসদ সংগ্রহ করা। কিন্তু দলের পরিবেশ থমথমে হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। দুই ওপেনার সাদমান আর সাইফ ১৪ রান পর্যন্ত তুলতেই শাহিন শাহর আঘাত। সাদমানকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার। ১৪ রানের জুটি গড়ে দিনশেষে অপরাজিত মুশফিক–ইয়াসির ১৪ রানের জুটি গড়ে দিনশেষে অপরাজিত মুশফিক–ইয়াসিরছবি: শামসুল হক তিন নম্বরে নাজমুল হোসেন নেমে টিকেছেন মাত্র ২ বল। তিনিও শাহিন শাহর শিকার। স্লিপে আবদুল্লাহ শফিককে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। অধিনায়ক মুমিনুলও টিকেছেন ২ বল। বাজে শট খেলে হাসান আলীর বলে আজহার আলীকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। সাইফ এরপরও টিকে ছিলেন কিছুক্ষণ। উইকেট বৃষ্টির মাঝে ৩টি বাউন্ডারিও মেরেছেন। কিন্তু বাউন্সারের বিপক্ষে আবারও নিজের দুর্বলতা দেখিয়ে শাহিন শাহর হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা এক বলে বিদায় নেন তিনি। নিজেই ক্যাচ নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শেষ বিকেল আগুন ঝরিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি শেষ বিকেল আগুন ঝরিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদিছবি: শামসুল হক বিজ্ঞাপন মুশফিক মাঠে নেমে সাইফকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন। সে জুটি ভাঙার পর তাঁকে সংগত দিচ্ছেন ইয়াসির। পঞ্চম উইকেট জুটিতে আপাতত দিন শেষে ১৪ রান যোগ করেছেন দুজন। ইয়াসির স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের রানের খাতা খুলেছেন। দিন শেষ হওয়ার আগে আর কোনো উইকেট পতন ঠেকাতে পেরেছে এ জুটি। কিন্তু দিনটা দারুণভাবে শেষ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো দলকে।

লিড নিয়েও হতাশার দিন বাংলাদেশের

সকালটা ছিল মিষ্টি, সেটি তাইজুল ইসলামের কল্যাণে। দুপুরটা হলো দুর্দান্ত—তাইজুলের তুলে নেওয়া ৭ উইকেটেই। পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অলআউট করে ৪৪ রানের লিড—দিনটা নিজেদের মনে করাচ্ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু শেষ বেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিকেলটাকে বিবর্ণই মনে হচ্ছে বাংলাদেশের। আউট হয়ে ফিরেছেন সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন ও সাইফ হাসান।

চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে ৮৩ রানে। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানের দ্রুত ফিরে যাওয়ায় প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকার সুবিধাটুকু পুরোপুরি নিতে দিচ্ছে না মুশফিক-মুমিনুলদের। তবে দিনের শেষ প্রান্ত এসে শাহিন শাহ আফ্রিদির বোলিং তোপ সামলেছেন মুশফিকুর রহিম ও অভিষিক্ত ইয়াসির আলী। মুশফিক দিন শেষে অপরাজিত আছেন ৩০ বলে ১২ রানে, ইয়াসির অপরাজিত ৩৪ বলে ৮ রান করে। বাংলাদেশের পড়া ৪ উইকেটের ৩টি পেয়েছেন আফ্রিদি, একটি আগের ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া পেসার হাসান আলী। ৬ ওভার বোলিং করে ৪ মেডেনে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন আফ্রিদি।

৪৪ রানে এগিয়ে থেকে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য অবশ্যই ছিল প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং-পারফরম্যান্সের কাছাকাছি কিছু করে লড়াইয়ের রসদ সংগ্রহ করা। কিন্তু দলের পরিবেশ থমথমে হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগেনি। দুই ওপেনার সাদমান আর সাইফ ১৪ রান পর্যন্ত তুলতেই শাহিন শাহর আঘাত। সাদমানকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার।

তিন নম্বরে নাজমুল হোসেন নেমে টিকেছেন মাত্র ২ বল। তিনিও শাহিন শাহর শিকার। স্লিপে আবদুল্লাহ শফিককে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। অধিনায়ক মুমিনুলও টিকেছেন ২ বল। বাজে শট খেলে হাসান আলীর বলে আজহার আলীকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। সাইফ এরপরও টিকে ছিলেন কিছুক্ষণ। উইকেট বৃষ্টির মাঝে ৩টি বাউন্ডারিও মেরেছেন। কিন্তু বাউন্সারের বিপক্ষে আবারও নিজের দুর্বলতা দেখিয়ে শাহিন শাহর হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা এক বলে বিদায় নেন তিনি। নিজেই ক্যাচ নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

মুশফিক মাঠে নেমে সাইফকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন। সে জুটি ভাঙার পর তাঁকে সংগত দিচ্ছেন ইয়াসির। পঞ্চম উইকেট জুটিতে আপাতত দিন শেষে ১৪ রান যোগ করেছেন দুজন। ইয়াসির স্কয়ার লেগ দিয়ে ফ্লিক করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের রানের খাতা খুলেছেন। দিন শেষ হওয়ার আগে আর কোনো উইকেট পতন ঠেকাতে পেরেছে এ জুটি। কিন্তু দিনটা দারুণভাবে শেষ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো দলকে।