June 24, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

খুলেছে দোকান-শপিংমল, নেই ক্রেতার সমাগম

খুলেছে দোকান-শপিংমল, নেই ক্রেতার সমাগম

খুলেছে দোকান-শপিংমল, নেই ক্রেতার সমাগম

করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে টানা ২০ দিন দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের দাবিতে আসন্ন ঈদ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট-শপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। কিন্তু সেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেই ক্রেতাদের সমাগম।

রাজধানীর উত্তরা, নিউমার্কেট, গাউছিয়া, গুলিস্থান, ফার্মগেট, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট ও শপিংমল খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। সকালের দিকে ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সংখ্যক ক্রেতার উপস্থিতি বাড়ে।

এদিকে করোনা সংক্রমণ রোধে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকবে বলে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে বিকেল ৫টার পরিবর্তে রাত ৯টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা এসেছে। এতে ব্যবসায়ীরা আরো স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

গুলিস্তানের কাপড় ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরা দোকান খোলার দাবি করছিলাম। সরকার আমাদের দাবি রেখেছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান খোলার অনুমতি ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এটি আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের জন্য পরম পাওয়া।

নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন বলেন, লকডাউনের পর আজ মার্কেট খোলার প্রথম দিন। সকালে ক্রেতার সংখ্যা কম থাকলেও এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে। আশা করি, আগামীকাল থেকে ক্রেতারা আসলে ভালো ব্যবসা হবে।

আব্দুর রহিম নামের আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দোকান বন্ধ রাখায় যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে হয়তো পারব না। তবে দোকান খোলাতে বউ-বাচ্চা নিয়ে কোনোভাবে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারব।

নিউমার্কেটের প্রসাধনী ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন আর কী বেচাকেনা হবে? লকডাউনের ভয় তো সবার মধ্যেই আছে। চারদিকে রোগ বাড়ছে। কিন্তু আমরা তো মাসের পর মাস বসে থাকতে পারি না। যতটুকু সম্ভব নিজেকে বাঁচিয়ে চলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সকালে দোকান খুললেও দুপুর পর্যন্ত কোনো বেচাকেনা হয়নি। সামনে ঈদ, সরকার সুযোগ দেয়ায় দোকান খুলেছি। কিন্তু কতটুকু ব্যবসা করতে পারব তা বুঝতে পারছি না।

কাউসার নামের একজন ক্রেতা বলেন, সড়কে গাড়ি নেই। ভয়ে ভয়ে মার্কেটে এসেছি। ঈদে বাচ্চাদের জন্য কিছু কেনাকাটা করতে হবে। তবে ক্রেতা না থাকায় কিছুটা অস্বস্তিবোধ করছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম জানান, করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিকেল ৫টার পরিবর্তে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা থাকবে।