September 21, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

মিতা হকের দাফন সম্পন্ন

মিতা হকের দাফন সম্পন্ন

মিতা হকের দাফন সম্পন্ন

বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন হয়েছে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হক। রোববার (১১ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জের ভাওয়াল স্কুল মাঠে মিতা হকের জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। 

মিতা হকের জামাতা, অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৫ মার্চ নমুনা পরীক্ষা করলে মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপর বাসায় আইসোলেসনে ছিলেন তিনি। গত ৩১ মার্চ থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিতা হক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। 

এদিন বেলা ১১টায় শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার মরদেহ নেয়া হয় ছায়ানট প্রাঙ্গণে। সেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই উপস্থিত হয়েছিলেন। এ তালিকায় রয়েছেন—আসাদুজ্জামান নূর, বাপ্পা মজুমদার প্রমুখ।

ছায়ানটের সঙ্গে মিতা হকের আত্মিক সম্পর্ক ছিল। প্রতিষ্ঠানটির রবীন্দ্রসংগীত বিভাগের প্রধান ছিলেন তিনি। তাছাড়া দায়িত্বপালন করেছেন রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে। এছাড়া সুরতীর্থ নামে একটি সংগীত প্রশিক্ষণ দল ছিল এই শিল্পীর।

মিতা হক পাঁচ বছর ধরে কিডনি রোগেও ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিয়ে ভালোও ছিলেন তিনি। কিন্তু এবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েন।

ঢাকায় ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে মিতা হক জন্মগ্রহণ করেন। প্রয়াত অভিনেতা খালেদ খানের স্ত্রী তিনি। তার চাচা দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক ও রবীন্দ্র গবেষক ওয়াহিদুল হক। মিতা হক ও খালেদ খান দম্পতির কন্যা জয়ীতাও রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী।