August 2, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

করোনাকালে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝে রিটেন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রংপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি পেশ

করোনাকালে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝে রিটেন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রংপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি পেশ

করোনাকালে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝে রিটেন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে রংপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি পেশ

ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মাঝে বার কাউন্সিল ঘোষিত আইনজীবী তালিকাভুক্তির রিটেন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আজ ৩ ডিসেম্বর’২০ বেলা ২ টায় রংপুর বার এর শিক্ষানবীশ আইনজীবীদের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ রংপুর বার এর শিক্ষানবীশ আইনজীবী পলাশ কান্তি নাগ,ফেরদৌস ইসলাম,রাকিবুল হাসান,আব্দুল জলিল জীবন,রাশেদ,সাগর তালুকদার প্রমূখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়-বর্তমানে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর আশংকায় যখন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যের সংখ্যা। যেখানে প্রায় সকল নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে তখন বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ কোন বিবেচনায় ১৩ হাজার পরীক্ষার্থীকে ঢাকায় জড়ো করে পরীক্ষা গ্রহন করতে চায়?
এই করোনা মহামারীতে আমাদের জানা মতে বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। অসংখ্য পরীক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত। বার কাউন্সিল বিগত ৪ বছরে স্বাভাবিক সময়ে পরীক্ষা নিতে পারে নাই। বির্তকিত ও সময়ক্ষেপনের রিটেন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শিক্ষানবীশ আইনজীবীরা দীর্ঘ ৫ মাসের অধিক সময় ধরে আন্দোলন করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যেখানে প্রায় সকল পরীক্ষায় অটো প্রমোশন দেওয়া হচ্ছে সেখানে বার কাউন্সিল কেন এই পরীক্ষা নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। এই পরীক্ষাটি অনেকটা জবরদস্তিমূলকভাবে শিক্ষার্থীদের চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে বার কাউন্সিল পরীক্ষা নামক প্রহসন করতে পারে না।
স্মারকলিপিতে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মাঝে বার কাউন্সিল ঘোষিত আগামী ১৯ ডিসেম্বর এর রিটেন পরীক্ষা বাতিলের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।