November 27, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

কালীগঞ্জ সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের স্কুল শিক্ষকের খুটির জোর কোথায়?

কালীগঞ্জ সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের স্কুল শিক্ষকের খুটির জোর কোথায়?

কালীগঞ্জ সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের স্কুল শিক্ষকের খুটির জোর কোথায়?

ঝিনাইদহ-
স্কুলের ছাত্রীদের শ্লিলতাহানীর ঘটনাই দুইবার সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর এবার অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করার দায়ে তৃতীয়বারের মতো সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন হাফিজুর রহমান নামে এক শিক্ষক। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদৌরা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ৪/৫ জন শিক্ষকের সামনে শিক্ষক হাফিজুর রহমান অনুচ্চারণযোগ্য কুরুচিপূর্ণ ভাষা প্রয়োগ করেন। তার এই আচরণ প্রতিষ্ঠান বিরোধী ও চাকুরি বিধি লঙ্ঘন। ফলে গত ২৪ সেপ্টেম্বর কার্য নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত ক্রমে হাফিজুর রহমানকে দুই বার কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত ক্রমে তৃতীয়বারের মতো তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে বিদ্যালয়ের পাঠদান, অতিরিক্ত পাঠদানসহ কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহন করতে পারবেন না। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজুর রহমান জানান, সাময়িক বরখাস্তের ব্যাপারে তিনি এখনো কোন চিঠি পাননি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদৌরা আক্তার জানান, স্কুলটির সভাপতি স্থানীয় এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। ঢাকা থেকে তিনি আসলে সাময়িক বরখাস্তের ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষক হাফিজুর রহমান স্কুলের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে দুইবার সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন। সে সময় তিনি তার অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পান। এছাড়াও তুচ্ছ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ১৬ ছাত্রীকে মারপিটে করে আলোচনায় আসেন শিক্ষক হাফিজুর রহমান। এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।