December 2, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

কিশোরগঞ্জে তরুনীর গোসলের ভিডিও করায় গ্রেফতার ১ কম্পিউটার জব্দ

কিশোরগঞ্জে তরুনীর গোসলের ভিডিও করায় গ্রেফতার ১ কম্পিউটার জব্দ

কিশোরগঞ্জে তরুনীর গোসলের ভিডিও করায় গ্রেফতার ১ কম্পিউটার জব্দ

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ  গোপনে এক তরুনীর গোসলের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার বিকালে ওই যু্বককে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
 গ্রেফতারকৃত যু্বক কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের হাজিরহাট গ্রামের দুলাল হোসেনের  ছেলে ফরহাদ হোসেন (১৭) ও এইচ এস সি ১ম বর্ষের ছাত্র। 
তবে এ ঘটনার মূল হোতা একটি মাদ্রাসার দুই ছাত্র পালিয়ে গেছে। ওই তরুনীর বাবা বাদী হয়ে পর্ণগ্রাফি আইনে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্ট থানায় (মামলা নম্বর ১) তারিখঃ ২৯/০৯/৩১ ইং। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল আউয়াল।
এলাকাবাসীর কাজ থেকে জানা যায়, উক্ত হাজিপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলামের দুই ছেলে মাদ্রাসার ছাত্র দেলোয়ার হোসেন(প্রতিবন্ধি)  (১৭) ও গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলজার রহমান(২২) একই গ্রামের এক তরুনীর গোসল করার দৃশ্য গোপনে ভিডিও করে। 
এরপর তারা হাজির হাট গ্রামের কম্পিউটার দোকানদার ফরহাদ হোসেনের কাছে ৭ মাস আগে গিয়ে মেমোরিতে গান ঢুকানোর জন্য তার কম্পিউটারের দোকানে যায়। এ অবস্থায় কম্পিউটার দোকানদার ফরহাদ ওই ভিডিওটি গোপনে রেখে দেয়। ভিডিওটি  দেখার পর সে ওই তরুনীর ভিডিও টি আলী নামে একজনকে দেয়। এই আলী আবার রেয়ের চাচাত ভাই চঞ্চল নামের এক কাপড় ব্যবসায়ী কে দেয়। তখন চঞ্চল মেয়েটির বাবাকে বিষয়টি জানায়। তার চাচা বিষয়টি তার মেয়েকে বলেন। 
 ঘটনাটি জানতে পেরে ওই তরুনী গত ১৯ সেপ্টেম্বর লোকলজ্জায় আত্নহত্যার জন্য কিটনাশক পান করে। তাকে তাৎক্ষনিক রংপুর মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে সুস্থ্য হয়ে তরুনী ২৬ সেপ্টেম্বর নিজবাড়িতে ফিরে আসে। এরপর তরুনীর বাবা বাদী হয়ে ওই ঘটনায় উক্ত তিনজনকে আসামী করে থানায় মামলা দেয়। 
এদিকে গ্রেফতারকৃত ফরহাদ হোসেনের বাবা দুলাল হোসেন অভিযোগ করে জানান আমার ছেলে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত নয়। সে বরং ঘটনাটি কারা করেছে তা তরুনীর পরিবারকে জানিয়ে সহযোগীতা করেছিল। সেখানে আমার নির্দোষ ছেলেকে আসামী করা হলো। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল। অথচ যারা এই ভিডিও গোপনে ধারণ করে বিভিন্নজনকে দিয়েছে তারা কেউ গ্রেফতার হয়নি। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তদের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি করেন।
গ্রামবাসী জানায় ওরা মাদ্রাসার ছাত্র হলেও তারা বখাটে ও মেয়েদের রাস্তাঘাটে হয়রানী করতো। এখন তারা পলাতক। তাদের বাবাকে আটক করলেই ওদের পাওয়া যাবে। যে জড়িত নয় তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বলেন এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে নীলফামারী জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।  বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।