August 4, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

কিশোরগঞ্জে বেড়েই চলছে জ্বর সর্দির প্রকোপ, করোনা বিস্তারের আশংকা

কিশোরগঞ্জে বেড়েই চলছে জ্বর সর্দির প্রকোপ, করোনা বিস্তারের আশংকা

কিশোরগঞ্জে বেড়েই চলছে জ্বর সর্দির প্রকোপ, করোনা বিস্তারের আশংকা

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধি  নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গ্রামগঞ্জে , জ্বর, সর্দি-কাশি সহ ডাইরিয়ার প্রকোপ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন জ্বর সর্দি নিয়ে শতাধিক মানুষ স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্য এবং গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে এ উপজেলায় ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ  বৃদ্ধির আশংখা রয়েছে।
 এদিকে করোনা বিস্তার রোধে সরকারের কঠোর লকডাউন কর্মসূচী বাস্তবায়নে মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মানাতে  উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর হলেও সাধারণ মানুষ তা না মানার ফলে দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমের সংখ্যা।  
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতার্ আবু সফি মাহমুদ জানান, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিদিন জ্বর সর্দি হাছি, কাশিতে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সোমবার এসব রোগে আউটডোর এবং ইনডোর মিলে মোট ২৫৫জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
গত ১৫ দিনে জ্বর সর্দি এবং কাশির রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫ হাজারের মত হবে। তাছাড়া হাসাপাতালে প্রতিদিন গড়ে জ্বর সর্দির উপসর্গ নিয়ে ১৫০ থেকে ২শ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন ফ্লু কনার্রের রোগী পাওয়া যাচ্ছে।  নীলফামারী জেলার মধ্যে করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে আমরা পিছিয়ে থাকলে গত কয়েকদিনে করোনা রোগী বাড়ছে এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ৯৭ জন, মৃত ৩ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৮১ জন। 
হোম আইসুলনে ৮জন এবং ৫ জন করোনা রোগকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসন হাট বাজারসহ অন্যান্য জায়গায় কঠোর হলেও গ্রামে গঞ্জে কোন ভূমিকা রাখতে পাড়ছেনা। ফলে গ্রামের মানুষ মাস্ক ব্যবহারতো দূরের কথা কোন স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। ফলে এ উপজেলায় করোনা বাড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।  
এ দিকে বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে , প্রশাসনের টহলের সময় অনেকেই মুখে মাস্ক লাগিয়ে চলাচল করলেও প্রশাসন চলে যাওয়ার পর কেউ কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করছেনা।  
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুজ্জামান বলেন মানুষ নিজ উদ্যোগে সচেতন না হলে আমরা কখনই তাদেরকে সচেতন করতে পারবো না। তাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশের সহযোগিতায় আমাদের টহল অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে। আর যারা সরকারী নিতীমালা মানবেন না তাদের কে মোবাইল কোর্টের আওতায় এনে জেল জরিমানা করা হচ্ছে।   উপজেলা নিবার্হী অফিসার রোকসানা বেগম বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত রেখেছি। যারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দোকানপাট খোলা রাখছে তাদের জরিমানা আদায়সহ নিয়মিত মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য বিভিন্নভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করে চলছি। কিন্তু মানুষ সচেতন হচ্ছেনা।