January 24, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

খানসামায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সাফল্য, বিশ হাজার খরচে লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি

খানসামায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সাফল্য, বিশ হাজার খরচে লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি

খানসামায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে সাফল্য, বিশ হাজার খরচে লাখ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি

এস.এম.রকি, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ পেঁয়াজ সংকট নিয়ে দেশে তুমুল আলোচনার মধ্যেও আশার কথা শোনা গেল দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায়। এখানে পেঁয়াজের গ্রীষ্মকালীন জাত চাষে সাফল্য পেয়েছেন চাষিরা। এতে পেঁয়াজের চাহিদা পূরণের সাথে আর্থিক লাভবান হচ্ছে চাষীরা। ২০ হাজার টাকা মূলধন খরচে লাখ টাকা আয় করছেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীরা।

দশ বছর আগে শীতের ফসল পেঁয়াজের গ্রীষ্মকালীন জাত উদ্ভাবিত হলেও আগ্রহ দেখায়নি কেউ। দেশে পেঁয়াজ সংকট বাড়তে থাকায় খোঁজ পড়ে এ জাতের। গত বছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ১৮০ বিঘা জমিতে নাসিক রেড এন-৫৩ জাতের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ হয়।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৮০ বিঘা জমিতে এই নতুন জাতের পেঁয়াজ চাষ করার জন্য ১৮০ জন কৃষককে বীজ, সার, পলিথিন ও পরিচর্যা বাবদ খরচ প্রদান করা হয়। অল্প খরচে লাভবান হওয়ায় কৃষকরা এখন ছুটছে এই নতুন জাতের পেঁয়াজ চাষে।

বরাবরই দেশের পেঁয়াজের ঘাটতি মেটাতে ভারত থেকে আমদানি করা হয়ে আসছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ সংকটে গত এবং এ বছর থেকে আগাম কোনো তথ্য ছাড়াই হুট করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে তারা। এতে বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের ব্যাপক দাম বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতিতে নাসিক রেড এন-৫৩ পেঁয়াজ আলোর মুখ দেখাচ্ছে।

এই পেঁয়াজ চাষের সফলতার কথা উঠে আসল চাষিদের কাছ থেকেও। উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া পাঁচপীর এলাকার কৃষক শিরিল মুর্মু জানান, তিনি ৩৩ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ চাষ করেছেন। “৯০ থেকে ১১০ দিনে মধ্যে এ পেঁয়াজ বিঘায় ৭০ থেকে ৮০ মন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ প্রতি বিঘায় চাষ করতে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হয়।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বাসুদেব রায় বলেন, পেঁয়াজ সংকট কমাতে সম্ভাবনাময় এই জাত চাষে কৃষি বিভাগ সকল প্রকার সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করছে। যার ফলে কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে এবং দেশে পেঁয়াজ সংকট কমে যাবে।