June 18, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

ঝিনাইদহে সব ধরনের নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত!

ঝিনাইদহে সব ধরনের নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত!

ঝিনাইদহে সব ধরনের নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির কারণে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত!

ঝিনাইদহ-
দালান বাড়ি শুরু করেছিলেন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান রেজাউল। কিন্তু নির্মান সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি কাজ বন্ধ রেখেছেন। বাজেটে আর কুলাচ্ছে না তার। নির্মান সামগ্রীর দাম হু হু কের বৃদ্ধি পাওয়ায় রেজাউলের মতো পরিবারগুলো এখন হাফিয়ে উঠেছে। ঝিনাইদহ জেলায় রড, সিমেন্ট, ইটসহ সব ধরনের নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছে বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণকারিরা। ঝিনাইদহেগর মধুহাটী ইউনিয়নের চোরকোল বাজারের কিয়াম উদ্দীন জানান, এ্যলিফ্যান্ট সিমেন্টের প্রতি বস্তার দাম ছিল ৪৩০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৫০০ টাকা। অন্যান্য ব্রান্ডের সিমেন্টের দাম বস্তা প্রতি ৩০- ৪০ টাকা করে বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিবস্তা ৪৮০ – ৪৯০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক মাস আগে বিসআরএম রডের প্রতি কেজি রডের দাম ছিল ৫৮ টাকা থেকে ৬০ টাকা। তা বেড়ে এখন ৭৫ টাকায়। ইটের দাম গাড়ি প্রতি বেড়েছে এক হাজার টাকা করে। বংকিরা গ্রামের টোকন বিশ্বাস বলেন, তিনি যখন বাড়ির কাজে হাত দেন তখন রডের কেজি ছিল ৬৫ টাকা। তা এখন ৭৫ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে। সিমেন্ট বস্তা প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। শৈলকুপার রড সিমেন্ট ব্যবসায়ী সেলিম খান জানান, রড সিমেন্ট কোম্পানী গুলো দাম বাড়িয়েছে। এর প্রভাব বাজারে পড়েছে। ঢেউ টিনের দাম প্রতি বান্ডিলে ২ ’শ টাকা থেকে ৪’শ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ১৭’শ টাকা বান্ডিলের টিন বেড়ে ১৯’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৩ হাজার টাকা বান্ডিলের টিন ৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং ৪ হাজার ৬০০ টাকা বান্ডিলের ঢেউ টিন দাম বেড়ে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নির্মান ব্যায় বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝিনাইদহের অনেক উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম ফোটন জানান, ইট তৈরির খরচ বেড়ে যাওয়ায ইটের দামও চড়ে গেছে। তিনি বলেন, ইটের দাম হাজার প্রতি এক হাজার টাকা বেড়েছে। শৈলকুপার ঠিকাদার শামীম হোসেন মোল্লা জানান, ইট, সিমেন্ট ও রডসহ সকল নির্মান সামগ্রীর দাম বেড়ে গেছে। এতে ঠিকাদাররা লোকসান এড়াতে কাজ বন্ধ রেখেছে। তিনি ১২টি কাজ বন্ধ রেখেছেন।