August 2, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ঝিনাইদহ শৈলকুপার টিকটক বস আশরাফুল মন্ডল রাফির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী

ঝিনাইদহ শৈলকুপার টিকটক বস আশরাফুল মন্ডল রাফির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী

ঝিনাইদহ শৈলকুপার টিকটক বস আশরাফুল মন্ডল রাফির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী

ঝিনাইদহ-
টিকটক বস ক্ষ্যাত আশরাফুল মন্ডল ওরফে রাফির বাড়ী ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার নাদপাড়া গ্রামে। তার নারী পাচার ও টিকটক কান্ডে পুরো এলাকা থমথমে হয়ে গেছে। এলাকাবাসী রাফি’র এহেন কর্মকান্ডে যেমন অবাক হয়েছে অন্যদিকে ক্ষুব্ধ মনোভাব প্রকাশ করেছে। রাফিসহ এ সিন্ডকেটের সদস্যদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী ও টিকটিক মতো অশ্লীল এ্যাপস বন্ধের দাবী করেছে পাড়া-প্রতিবেশী ও জনপ্রতিনিধিরা। জানা গেছে, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার নাদপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র আইনউদ্দিন মন্ডলের ছেলে আশরাফুল ইসলাম ওরফে রাফি ওরফে বস রাফি। ৭ভাই-বোনের মধ্যে (চার ছেলে তিন বোন) সবচেয়ে ছোট রাফি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ১২ বছর আগে রাফি ভারতে কাজের উদ্দেশ্যে যায়। সেখানে প্রাইভেট কারের ড্রাইভারী করতো সে। বছরে দুই/তিনবার দেশে আসতো। অন্য ভাই-বোনের সাথে সম্পর্ক ভালো না হওয়ায় রাফির কাছে থাকতো তার বাবা-মা। গত ৩ বছর আগে সে বিবাহ করে কুষ্টিয়ার মেয়ে বন্যাকে। তাদের একটি দেড় বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, রাফির টিকটক ভিডিও ভাইরাল ও দেশের সবচেয়ে বড় নারী পাচার সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ততার খবরে আমরা গ্রামবাসী একদিকে যেমন হতভম্ব। অন্যদিকে প্রচন্ডভাবে ক্ষুব্ধ। তারা দরিদ্র পরিবার। হঠাৎ গত ১-দেড় বছরে গ্রামে চোখধাধাঁনো বাড়ী করে সে। চলাফেরাও ছিল অন্য ৮/১০জনের মতো না। আমাদের এলাকার মান-সম্মান যে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে এমন কুলাঙ্গারের আমরা সর্বোচ্চ শাস্তী দাবী করছি। এলাকার উঠতি বয়সী তরুণ অনিক বলেন, অশ্লীলতা, নোংরামির আরেক নাম টিকটক। সরকারের উচিত খুব দ্রুত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অন্যথায় খুব বড় ক্ষতি হয়ে যাবে সমগ্র জাতির। শৈলকুপা সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান মামুন বলেন, এরা মানুষ না। মুনষ রুপী হায়না। নোংরা টিকটকসহ অশ্লীলতা আমরা কোন ভাবেই সাপোর্ট করি না। এর পর আবার নারী পাচারের হোতা রাফি। সে আমাদের এলাকার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করেছে। সরকারের উচিত সে সহ সকল সম্পৃক্তদের কঠিন থেকে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা। তিনি আরো বলেন, রাফি ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে বাংলাদেশে এসে ঝিনাইদহের বাড়ীতে অবস্থান করে। পরে তাকে ঝিনাইদহের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার এইড কমপ্লেক্সে নিয়ে রাখা হয়। সেখান থেকে ঢাকা র্যাব তাকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েদের বাঁচাতে ও পরবর্তী প্রজন্মের সুরক্ষায় টিকটক , লাইকির মতো এ্যাপস বন্ধের দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ে ঘন্টব্যাপী চলা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ঝিনাইদহ বিহঙ্গ সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র।