December 1, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ডলার ও স্বর্ণের পুতুল কিনতে এসে প্রতারণার শিকার, পুলিশের হাতে আটক ২ প্রতারক

ডলার ও স্বর্ণের পুতুল কিনতে এসে প্রতারণার শিকার, পুলিশের হাতে আটক ২ প্রতারক

ডলার ও স্বর্ণের পুতুল কিনতে এসে প্রতারণার শিকার, পুলিশের হাতে আটক ২ প্রতারক

এস.এম.রকি, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ডলার ও স্বর্ণের পুতুল কিনতে ঢাকা থেকে আগত কামরাঙ্গীরচর এলাকার লিটন মুন্সি (৫০), মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার হৃদয় হোসেন (২২), ঢাকার দোহার থানার এক তরুন (২৫) ও তরুণী (২২) ও চাঁদপুরের মতলব থানার এক নারী (৪০) প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উপজেলার আঙ্গারপাড়া এলাকার আইয়ুবের ছেলে আনারুল ইসলাম (৩৫) এবং কাচিনীয়া উত্তম পাড়া এলাকার জতীশ রায়ের ছেলে নিতাই রায় (৩০) কে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনা প্রতারণার শিকার লিটন মুন্সি বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত নামার বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামীরা হলেন উপজেলার কথিত বাসিন্দা শামীম হোসেন (২৮), আংগারপাড়া গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে শেফাউল (৩৫), মফেল ইসলামের ছেলে রশিদুল (৩৫), ভুল্লারহাট এলাকার জয়নুল (৩০) ও টংগুয়া এলাকার রেজাউল (৩১)।
জানা যায়, ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বছরখানেক ধরে একটি মেসে ভাড়া থাকতেন খানসামা উপজেলার কথিত বাসিন্দা শামীম হোসেন। সেখানেই পাঁচ জনের সঙ্গে সখ্য হয় তার। শামীম তাঁদের বলেন, খানসামায় স্বল্পমূল্যে স্বর্ণের পুতুল ও ডলার পাওয়া যায়। এটা শুনে বুধবার সকালে শামীমের বাড়িতে যান ঐ ব্যক্তিরা। একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে নানা কৌশলে নগদ এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেন শামীম ও তার সহযোগী প্রতারক চক্রের সদস্যরা। পরে তাদের আটক রেখে আরো কয়েক লাখ টাকা দাবি করেন প্রতারকরা। এরই মধ্যে তাঁদের স্বজনদের কাছে বিকাশের মাধ্যমে আরও ৫০ হাজার টাকা নেন প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য আনারুল। সন্ধ্যায় চিরিরবন্দর উপজেলার বেকীপুল বাজার এলাকায় অপহরণকারীরা ছেড়ে দিতে চাইলে তাঁরা চিৎকার শুরু করেন। তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আনারুল ও নিতাই রায়কে আটক করে চিরিরবন্দর থানায় খবর দেন। পরে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ তাদের আটক করে খানসামা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
খানসামা থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, প্রতারণার শিকার ও প্রতারক উভয় পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা বলছেন তাঁরা গরু কিনতে এসেছেন। তবে আটক প্রতারক চক্রের দুই সদস্য বলছেন, তাঁরা ডলার বিক্রির জন্য টাকা নিয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় একটি প্রতারণা মামলা হয়েছে। প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। প্রতারক এই চক্রের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় এর আগেও একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে।