June 23, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

পলাশবাড়ীতে আদালতের চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশন অবমাননা করে প্রতিবন্ধির পরিবারের আবাদী জমি জবরদখল

পলাশবাড়ীতে আদালতের চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশন অবমাননা করে প্রতিবন্ধির পরিবারের আবাদী জমি জবরদখল

পলাশবাড়ীতে আদালতের চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশন অবমাননা করে প্রতিবন্ধির পরিবারের আবাদী জমি জবরদখল

গাইবান্ধা ঃ বিজ্ঞ আদালতের চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশন অবমানননা করে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের মালিয়ানদহ মৌজার গত ২০০৭ সালের বিজ্ঞ সহাকরি জজ আদালত পলাশবাড়ীর ৭৩/৭ নং মামলায় আদালত কতৃক চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ১৫৭ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর ভোগদখল করার ৫ বছর পর এসে উক্ত জমির মধ্যে ৬ শতাংশ জমি জবরদখল করে রেখেছে মালিয়ানদহ গ্রামের বাদশা মিয়া। এ জমি জবর দখল করে প্রকৃত মালিকদের নানা ভাবে জমিতে যেতে বাধা ও প্রাননাশের হুমকি ধামকি চালিয়ে যাওয়ায় অসহায় প্রতিবন্ধি ও মটরশ্রমিক মমতাজ আলীসহ তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইন শৃংখলা বাহিনীর দ্বারে দ্বারে ঘুরেও আজও বিচার না পাওয়ায় ব্যাপক হতাশায় জীবন যাপন করছে প্রকৃত এ জমির মালিক ও ওয়ারিশগণ। অপর দিকে জবরদখলকৃত জমির পাকা ধান কাটার উপযোগী হওয়ায় ধান ঝড়ে পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মালিকানা ভুক্ত উক্ত জমির ফসল ঘরে তুলতে নিরাপত্তা হীনতায় পড়েছে প্রকৃত জমিরা মালিকগণ।
এবিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ও জানা যায়, মালিয়ানদহ মৌজার গত ২০০৭ সালের ৭৩ নং মামলায় বিজ্ঞ আদালত হতে একটি চুড়ান্ত ডিগ্রী পাওয়ার পর হতে উক্ত জমির ভোগদখল করে চাষাবাদ করে আসার ৫ বছর পর উক্ত জমির মধ্যে ২০ শতাংশ জমি হতে ৬ শতাংশ জমি জবর দখল করে রেখেছে গ্রামের মৃত ইসাহার হাজ¦ীর ছেলে বাদশা মিয়াগং। তারা প্রকৃত মালিককে উক্ত জমির ফসল কাটতে নানা ভাবে বাধা সৃষ্টি করে চলছে। উক্ত জমির ফসল কাটতে গিয়ে দ্বন্দ কোলহ ও প্রানহানি ঘটার আশংঙ্কায় প্রকৃত মালিকগণ শান্তিপুর্ণ ভাবে সমাধানের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও আইন শৃংখলা বাহিনী কাছে ধর্ণা দিয়েও আজও উদ্ধার হয়নি উক্ত জমি। এমসবস্থায় উক্ত জমিতে রোপন করার ধান কাটার মতো বয়স হয়ে যাওয়ায় জমির ধান ঝড়ে পড়তে শুরু করেছে। উক্ত জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগীরা ও জবরদখলকারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংঙ্কা রয়েছে বলে জানায় স্থানীয় জনসাধারণ ও ইউপি সদস্য রাজা মিয়া। এ জমির আগে পিছে দুপক্ষ এ ধান রোপন করেছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে উক্ত গ্রামের বাসিন্দা ও পবনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রাজা মিয়া জানায়, উক্ত জমির প্রকৃত মালিক প্রতিবন্ধি মমতাজজের স্ত্রীর ও তার বোন গণ প্রকৃত ওয়ারিশ সূত্রে মালিক । তারা বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশনের মাধ্যমে উক্ত জমি বুঝিয়ে পেয়ে চাষাবাদ করে আসছে এতো দিন পরে বাদশা মিয়া উক্ত জমির নিজের কবলা সুত্রে মালিকানা দাবী করে জবরদখল করে আছে।তিনি আরো বলেন,জমি দখলকারী আদালতের চুড়ান্ত ডিগ্রী ও কমিশন অবমাননা করে জমি জবরদখল করেছে তা সত্য ঘটনা।

এদিকে দখলকারী বাদশা মিয়া জানান, উক্ত জমির কবলা সূত্রে মালিক স্বত্বে আমি দখল করেছি। তবে কমিশন হওয়ার সময় কোন প্রকার বাধা বা দাবী জানিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি সে সময় বাধা দেননি বলে স্বীকার করেন। এবং আদালতকৃর্তক ডিগ্রী প্রাপ্ত ওয়ারিশগণ তারা উক্ত জমি ৫ বছর ধরে আবাদ করেছে বলে স্বীকার করেন। এবং প্রকৃত মালিকদের হুমকি ধামকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

ভুক্তভোগী পরিবার গুলো বলেন, আমরা ওয়ারিসগণ সকলেই নারী ও একজন মাত্র পুরুষ তিনিও প্রতিবন্ধি জবরদখল কারীর বসতবাড়ী উক্ত জমির নিকটে হওয়ায় তারা নানাভাবে তাদের হুমকি ধামকি ভয়ভীতি এমন কি জমিতে গেলে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বাদশা মিয়া তার স্বজনেরা। আমরা আদালতের মাধ্যমে জমির মালিক হয়ে জমি ভোগদখল করছি কেউ যদি আমাদের উক্ত সম্পতি পায় তাহলে তারা আদালতের মাধ্যমে মালিকানা নিয়ে উক্ত জমিতে আসুক তা না করে তারা পেশাশক্তি বলে জমি দখল করে নিবে এর কি কোন বিচার নাই। আমরা অসহায় এই জবরদখল কারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশসহ সরকারের নিকট দাবী জানাচ্ছি এবং বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মালিকানা ভুক্ত উক্ত জমির ফসল আমাদের নিরাপদে কাটতে দেওয়া হোক সে দাবী জানাচ্ছি।