September 20, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

পীরগঞ্জে জমজমাট খেজমতপুর কচুরহাট

পীরগঞ্জে জমজমাট খেজমতপুর কচুরহাট

পীরগঞ্জে জমজমাট খেজমতপুর কচুরহাট

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগঞ্জে জমজমাট খেজমতপুর কচুরহাট। উপজেলার উৎপন্ন কচু প্রতিদিন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের খেজমতপুরে প্রায় এক যুগ ধরে বসে রংপুর বিভাগের সবচেয়ে বড় কচুরহাট। প্রতিদিন গড়ে ৪’শ থেকে ৫’শ টন কচু ক্রয়-বিক্রয় হয় এই কচুরহাটে। বিক্রেতা কৃষকদের দিতে হয়না কোন টোল ফলে, পীরগঞ্জ উপজেলাসহ পাশর্^বর্তী কয়েকটি জেলার কচু চাষীরা এখানে কচু বিক্রি করে নির্বিগ্নে। কচু কিনতেও ব্যবসায়ীরা আসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যার কারনে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠেছে খেজমতপুর কচুরহাট। জানাগেছে, উত্তরবঙ্গের রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের খেজমতপুর নামক স্থানে বিশাল কচুরহাট বসিয়ে চলছে বেচা-কেনা। প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত কচুর হাটে কচু বেচা-কেনা চলে। বিভিন্ন যানবাহনে করে হাটে কচু নিয়ে আসে কৃষক। সেই কচু ক্রয় করে ট্রাকযোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যায় ব্যপারীরা। হাটটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ১০ জন নিজস্ব লোক দিয়ে ট্রাফিকের ব্যবস্থা রয়েছে। হাটে কচু বিক্রি করতে আসা গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার ছাইগাড়ি গ্রামের কৃষক সোলায়মান, দিনাজপুর জেলার ঘোড়ারঘাট উপজেলার বলগাড়ী গ্রামের কৃষক রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমরা হাটে কচু বিক্রি করে লাভবান হচ্ছি। কারন এই হাটে কোন টোল দিতে হয়না। হাটে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০টি আড়ত রয়েছে সেখানে প্রায় ৬ শতাধিক শ্রমিক কচু বস্তা ভরাব কাজ করে। ট্রাক লোড করার জন্য রয়েছে দেড় শতাধিক শ্রমিক। এছাড়াও প্রায় বস্তা বহন করার কাজ করে কয়েক শত মজুর। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে খেজমতপুর কচুরহাটে। এ ব্যাপারে হাট ইজারাদার রামনাথপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন বাদল মাষ্টার জানান, হাটের নিজস্ব ৭৪ শতক জায়গা থাকা সত্বেও শুধু মাত্র পাকা রাস্তা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক সংলগ্নস্থানে কচু বেচাকেনা করছে কৃষক। তিনি আরো বলেন,উপজেলা পরিষদ চলতি বছরে এই হাটটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ইজারা নিয়েছি। স্থানীয় আড়তদার বেলাল মিয়া জানান, হাট কমিটির পক্ষ থেকে ১০ জন লোক হাট লাগার শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত সর্তক সংকেতের জন্য রাখা হয়েছে। যাতে কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিরোদা রানী রায় জানান, রাস্তাটি পাকা করনের ব্যবস্থা করে নির্ধারিত স্থানে দ্রুত হাটটি স্থানান্তরের ব্যবস্থ করা হবে।