October 20, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

পীরগঞ্জে শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর ঢেউটিন প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা !

পীরগঞ্জে শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর ঢেউটিন প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা !

পীরগঞ্জে শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর ঢেউটিন প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তা !

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় প্রচন্ড কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর মধ্যে টিনের জন্য হাহাকার পরিস্থিতি বিরাজ করলেও গত পনের দিনেও তাদের ভাগ্যে মেলেনি টিন সহায়তা। ফলে এ পরিবারগুলো চরম উদ্বিগ্ন ও দুশ্চিন্তায় দিনাতিপাত করছেন । তারা আদৌ টিন সহায়তা পাবেন কিনা, এ নিয়েও সন্দিহান। একাধিক সুত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জের ১৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি আঘাত হানে এতে উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী, কুমেদপুর, বড়দরগাহ, শানেরহাট ও মিঠিপুর ইউনিয়নের উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি প্রায় ২ সহ¯্রাধিক বাড়ী ঘরের টিনের চালা শিলা বৃষ্টিতে ফুটো হওয়ায় ঘরগুলো বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর বেশীর ভাগ অর্থাভাবে ঢেউ টিন ক্রয় পুর্বক ঘর গুলোর উপরে ঢেউ টিনের চালা দিতে পারেনি। প্রহর গুনছেন সরকারী সহায়তার প্রত্যাশায়। যে কারনে আকাশে মেঘ দেখলেই তাদেরকে দিবারাত্রী দুশ্চিন্তায় ও নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে । ছোট মির্জাপুরের আব্দুল মালেক,মেরাজুল, আজিজুল,মন্ডলাবাড়ীর আব্দুস সালাম, গুর্জিপাড়ার শংকরসহ বেশ কিছু সংখ্যক ব্যাক্তির সঙ্গে কথা হলে তারা অভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের ফসল গেল, ঘরের টিন গেল। কোনই সহযোগিতা পাচ্ছি না। ঘরও মেরামত করতে পারছি না । আগামীতে বা সংসারই চলবে কি ভাবে। সব সময় এটাই চিন্তা। তাই তারা এ ব্যাপারে সরকারের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। বড়দরগাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক মন্ডল এর সঙ্গে সোমবার কথা হলে তিনি বলেন,এ ইউনিয়ন থেকে প্রায় ২ সহ¯্রাধিক ক্ষতিগ্রস্থ ঘরের তালিকা জমা দেয়া হয়েছে। ঢেউটিন বরাদ্ধ না আসায় এখনও টিন বিতরন সম্ভব হয়নি। শানেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মন্টু বলেন-আমার ইউনিয়নের প্রায় ঘর ক্ষতিগ্রস্থ এমন ১৬ শ’জনের তালিকা তৈরী হয়েছে। আরও আবেদন আসছে। পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আমরা এখনও তালিকা পাইনি। তবুও উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা পাঠিয়েছি। টিন বরাদ্দ আসলে ক্ষতিগ্রস্থদের দেয়া হবে। এদিকে কবে চাহিদা পাঠানো হয়েছে ? জানতে চাইলে তিনি তা জানাতে পারেননি।রংপুর জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম আকতারুজ্জামান বলেন-আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আশা করি এ মাসের মধ্যেই ঢেউটিন পেয়ে যাব ।