October 18, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ীতে জাল দলিল সৃষ্টিকারীদের কে গ্রেপ্তার ও তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ফুলবাড়ীতে জাল দলিল সৃষ্টিকারীদের কে গ্রেপ্তার ও তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ফুলবাড়ীতে জাল দলিল সৃষ্টিকারীদের কে গ্রেপ্তার ও তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর, প্রতিনিধি।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় জাল দলিল সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে খাজাপুর গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দীন প্রামানিক এর পুত্র মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (দুলাল) এর থানায় অভিযোগ ও গ্রেপ্তারের দাবি। ফুলবাড়ী উপজেলার খাজাপুর গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দীন প্রামানিক এর পুত্র মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (দুলাল)এর গত ০৭/০৩/২০২১ইং তারিখে দায়ের কৃত অভিযোগে যানা যায় মহন সরেন (৬০), পিতা মৃত ডাঃ হোপনু সরেন, সাং রাঙ্গামাটি, উপজেলা ফুলবাড়ী, জেলা দিনাজপুর। এই মহন সরেন নি¤œ তফসিল বর্ণিত জমির ভলিয়ুম বিহীন একই নম্বরের একই তারিখের পাকিস্তান আমলের একাধিক জাল দলিল (রেকর্ড রুমে ভলিয়ুম পাওয়া যায় নাই) সৃষ্টি করে তফসিল বর্ণিত জমি কুক্ষিগত করার চক্রান্তে লিপ্ত আচে। প্রকাশ থাকা আবশ্যক যে, তফসিল বর্ণিত জমির এস, এ রেকডিও মালিক ছিলেন হরিমহন রায় পিতা মৃত জোনারাম বর্মন সাং শমসের নগর এবং কুঞ্জলাল পাটারীয়া পিতা মৃত চুনকু লাল পাটারিয়া সাং নিজ (বলিহারপুর) উপজেলা ফুলবাড়ী জেলা দিনাজপুর। তফসিল জেলা দিনাজপুর উপজেলা ফুলবাড়ী মৌজা বলিহারপুর জে এল নং ৪৩ খতিয়ান নং ৫৭ দাগ নং ১৮ জমির পরিমান ৩৮ শতক দাগ নং ৩২৩ পরিমান ৩১ শতক দাগ নং ৩২২ পরিমান ১.১৯ (এক একর উনিশ) শতক দাগ নং ৩২৩ পরিমান ১৯ শতক চার দাগের মোট জমির পরিমান ২.০৭ (দুই একর সাত) শতক। কুঞ্জলাল পাটারীয়া নামে কোন ব্যক্তি বা তার ওয়ারিশ উক্ত মৌজায় বসবাস করে না। উক্ত ৫৭ খতিয়ান ভুক্ত জোত মধ্যে ৩২২ ও ৩২৩ দাগে ১.৩৮ (এক একর আটত্রিশ) শতক জমি হরিমহন এর একক নামে অর্পিত তালিকায় গেজেট প্রকাশিত আছে। যাহা ভি,পি “খ” তালিকা ভুক্ত জমি যাহা ইতিমধ্যে সরকার বাহাদুর অর্পিত “খ” তালিকা বাতিল করেছেন। উল্লেখ্য যে, অভিযুক্ত মহন সরেন একটি পাকিস্তান আমলের ভলিয়ুম বিহীন দলিল যাহার নং ১৮২/৬৫ যাহার দাতা কুঞ্জলাল উপরিয়া জাতি সাওতাল গ্রহিতা সরলা মুর্মু যিনি অভিযুক্ত মহন সরেন এর মাতা। সৃষ্টি করে ভুমি অফিসে দাখিল সাপেক্ষে ভুমি অফিস কে ভুল বুজিয়ে একটি খারিজ হাসিল করেন যাহার খারিজ নঙ ১৮২৫/১৪-১৫ ইং যাহা ইতিপূর্বে এস,এ রেকডিও মালিক হরিমহন এর পুত্র শ্রী গোপাল রায় এর আবেদনের প্রেক্ষিতে খারিজটি বাতিল হয়। মহন সরেন উক্ত দলিল বলে গত ০৮/১২/২০১১ইং তারিখে তার মাতার ওয়ারিশ দাবি করে ১। মোঃ মঞ্জুরুল হক (মনজু) ২। মোঃ রেজাউল হক উভয়ের পিতা মৃত আব্দুল জব্বার ৩। মোঃ কাদের সরকার পিতা মৃত আব্দুল করিম মাস্টার সকলের সাং কাটাবাড়ী ৪। মোঃ বেলাল উদ্দীন ডেভিড) পিতা মোঃ আমিনুল ইসলাম সাং বারো কোনা সহ মোট ১০ জনের নামে একটি বায়না নামা রেজিষ্ট্রী দলিল করে দেন। উক্ত বায়নায় নগদ ১২ লক্ষ টাকা পরিশোদ এবং ২৭৫০০০/- টাকা বাকী রেখেছেন মর্মে দেখান। এ ছাড়া অভিযুক্ত মহন সরেন পরবর্তেিত মোঃ ইমামুল মোস্তাকিম এর নিকট এইক জমি গত ০৩/০৮/২০১৬ ইং তারিখে ১১ লক্ষ টাকা গ্রহন করে এবং ৩ লক্ষ টাকা বাকি রেখে আরো একটি বায়না নামা দলিল রেজিষ্ট্রী সম্পাদন করে দেয যাহার দলিল নং ৩২৮৭/১৬। উক্ত বায়না দলিলে অভিযুক্ত মহন সরেন তার বাতিল হওয়া খারিজ নাম্বার টি যাহা ১৮২৫/১৪-১৫ ইং ব্যবহার করেন যাহা আইনর পরিপন্থি। মহন সরেন তফসিল বর্ণিত জমি গত ০৩/০২/২০২১ইং তারিখে পুনরায় আরো একটি ভলিয়ুম বিহীন পাকিস্তান আমলের দলিল যাহার দলিল নং ১৮২/৬৫ উক্ত দলিলে দাতা দুইজন শ্রী হরিমহন রায় এবং কুঞ্জলাল পাটোয়ারী গ্রহিতা সরলা মুর্মু যিনি অভিযুক্ত মহন সরেন এর মাতা ভুমি অফিসে দাখিল করে পুনরায় খারিজ এবং অন্যান্য আদেশ হাসিলের জন্য চেষ্ট করেন। আগের দলিলের দাতা একজন শুধু মাত্র কুঞ্জলাল পাউরিয়া এবং পরের দলিলে দাতা দুইজন শ্রী হরিমহন রায় এবং কুঞ্জলাল পাটোয়ারী। প্রথম দলিলের নম্বর ১৮২/৬৫ তারিখ ০৩/০১/১৯৬৫ ইং এবং পরের দালিলের দাতা দুইজন শ্রী হরিমহন রায় এবং কুঞ্জলাল পাাটোয়ারী পরের দলিলেরও নাম্বার ১৮২/৬৫ পরের দেিলররও তারিখ ০৩/০১/১৯৬৫। দুলিল দুটি যে জাল তা প্রমানিত হয়। শ্রী হরিমহন রায় এবং কুঞ্জলাল পাটোয়ারী গ্রহিতা সরলা মুর্মু যাহা মহন সরেন গত ০৩/০২/১৯২১ইং তারিখে সহকারী কমিশনার ভুমি ফুলবাড়ী দিনাজপুর এর বরাবরে আবেদন নং ২০,২৩,৭৭৪ তারিখ ০৩/০২/২০২১ ইক্ত দলিল দুটি তার নিকট থেকে উদ্ধার করন এবং বাতিল হওযা খারিজ ব্যবহার করে বায়না নাম দলিল সৃষ্টির অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের কৃত অভিযোগটি এজাহার হিসাবে গন্য করে আইন গত ব্যবস্থা নিতে মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল প্রশাসনের নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন। এই মর্মে বিভিন্ন দপ্তরে গত ০৭/০৩/২০২১ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দেন। এ বিষয়ে জাল দলিল সৃষ্টি কারী মহন সরেন এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।