September 22, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ফুলবাড়ীর পল্লীতে গার্মেন্টস্ কর্মীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, বাড়ি ভাংচুর ॥

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি
ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপির মাদিলাহাট এলাকার হঠাৎ পাড়া গ্রামে গার্মেন্টস্ কর্মীর ক্রয়কৃত সম্পত্তি প্রতিপক্ষরা দখলের চেষ্টা করে। অবশেষে তার টিনের চালার ঘরটি ভাংচুর করে।
দিনাজপুরে ফুলবাড়ী উপজেলা বেতদিঘী ইউপির মাদিলাহাট হঠাত পাড়া গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ রোকন (৩৫) এর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঐ এলাকার সামাদ মন্ডলের নিকট থেকে ২০০১ সালে ১০ শতক জমি দলিলমূলে ক্রয় করেন।
বর্তমান ঐ ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে ২টি টিনসেড ঘর করে তার মা কে সেখানে রেখে মোঃ রোকন ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকুরী করেন। একই দাগের সম্পত্তির মালিক ২ভাই। একজনের নাম সামাদ মন্ডল অপরজনের নাম আবুল মন্ডল। সামাদ মন্ডলের নিকট থেকে উক্ত জমি ক্রয় করেন। অপরব্যক্তি বাচ্চু মন্ডলের পুত্র মোঃ সোহেল (৩৮), অপর ভাই আবুল মন্ডলের নিকট থেকে ৫০ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু সোহেলের অংশে ১০ শতক জমি কম আছে বলে তিনি জানান। কিন্তু ঐ দাগে মোট জমির পরিমাণ ১০০ শতক। ২ ভাই কেউ কম অথবা কেউ বেশী অংশ বিক্রি করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গার্মেন্টস্ কর্মী মোঃ রোকনের জমিতে গিয়ে সোহেল গংরা তার টিনসেডের একটি ঘর ভেঙ্গে ফেলে পুরো জায়গাটি তারকাটা দিয়ে ঘিরে নেন। তার ভিতরে মোঃ রোকনের তৈরি করা আরো একটি ঘরে বসবাস করেন তার মা। বর্তমান সেই ঘরটিও সুযোগ পেলে সোহেল গংরা ভেঙ্গে ফেলে দখল করে নিবেন। কিন্তু বর্তমান গার্মেন্টস্ কর্মী মোঃ রোকন অসহায়। ঘর ভেঙ্গে জায়গা দখল করার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে এসে বাড়িতে গিয়ে দেখেন তার দক্ষিণ দিকের চালা ঘরটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। তার পাশে এলাকার লোকজন থাকলেও এখন বর্তমান পাশে কেউ নাই। কি করবে? ভাবছে।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার বৈঠক করলেও সোহেল গংরা জায়গা ছাড়তে নারাজ। মোঃ রোকনের মা সুফিয়া বেগম জানান, কুড়িগ্রামের নদীগর্ভে বাপ দাদার পৈত্রিক বসতবাড়ি বিলীন হয়ে যাওয়ার পর এখানে এসে ঠাই নিয়ে অনেক কষ্টে সামাদ মন্ডলের নিকট থেকে ১০ শতক জমি ক্রয় করি। এখন এই জমিটুকুও হারাতে বসেছি। এই ঘটনায় গার্মেন্টস্ কর্মী মোঃ রোকন নিরুপায় হয়ে বিচারের আশায় প্রশাসনের দারে দারে ঘুরছেন।
এই ঘটনায় সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন কেউ সংগ্রহ করে দিতে পারেননি। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গার্মেন্টস্ কর্মী রোকন।