June 19, 2021

Jagobahe24.com news portal

Real time news update

মিঠাপুকুরে শ্বশুড় বাড়ি থেকে খোঁজ-খবর না করায় অভিমানে আত্মহত্যা

মিঠাপুকুরে শ্বশুড় বাড়ি থেকে খোঁজ-খবর না করায় অভিমানে আত্মহত্যা

মিঠাপুকুরে শ্বশুড় বাড়ি থেকে খোঁজ-খবর না করায় অভিমানে আত্মহত্যা

রুবেল ইসলাম,রংপুর
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় শ্বশুড় বাড়ি থেকে কোন প্রকার খোঁজ খবর না রাখায় বাবার বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী।মৃত্যা ঐ নারীর নাম মিতু আক্তার(২০)।ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন পাশের গ্রামের সুজা নামের একটি ছেলেকে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার বড় বালা ইউনিয়নের তরফবাহাদী গ্রামের বাবার বাড়িতে আত্মহত্যা করেন মিতু। মিজানুর রহমানের মেয়ে মিতু আক্তার পাশের গ্রামের বাবু মাস্টারের ছেলে মেহেদী হাসান সুজা (২২)নামে এক ছেলের সাথে দেড় বছর পূর্বে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন । বিয়ের পরে পরিবারের মানসিক চাপে সুজা মাদকাসক্ত হন । বিভিন্ন সময়ে মাদকাসক্ত হয়ে পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করলে গত মাসে তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভতি করানো হয় এবং এখনো সে সেখানেই ভতি আছেন।
শ্বশুড় স্বামী সুজাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে রাখার পর বাবার বাড়িতে চলে আসেন মিতু । কিন্তু চলে আসার পর শশুড় বাড়ি থেকে তার কোন খোঁজ-খবর না নেওয়ায় সে হতাশায় ভুগতেন। এমনকি ঈদের সময়ও শ্বশুড় থেকে কোন খবর না নেওয়ায় আরোও হতাশায় ভুগছিলেন মিতু।তার বাবা ও মা বাড়িতে না থাকায় সবার অজান্তে তার বাবার ঘরের তীরে সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
মৃত্যা মিতুর চাচাতো দুলাভাই সাইফুল ইসলামের সাথে কথা হলে জানা যায়- বিয়ের পর থেকে মিতুকে মেনে নেয়নি সুজার পরিবার ।পরিবারের লোকজন হারমেশাই তাকে মানসিক নির্যাতন করতো ।সুজার পরিবার মিতুর পরিবারের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায়নি।অবশেষে উভয়ের বাবা-মায়ের অমতে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজন।সুন্দর চলেছিলো তাদের সংসার।পরিবারের চাপে মাদকাসক্ত হন সুজা।
মৃত্যার মায়ের সাথে কথা বললে তিনি বলেন- ঈদে আমার মেয়ে তার শ্বশুড়ের কাছে জানতে চায় তার স্বামীকে কোন মানসিক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।প্রতিউত্তরে তার শ্বশুড় বলেন-মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি নাকি।ছেলেকে কোন মানসিক হাসপাতালে রেখেছেন তা জানায়নি মিতুকে।ঈদে স্বামীর কথা খুব মনে পড়লে একাধিকবার শ্বশুড় পরিবারে যোগাযোগ করলেও কোন উত্তর পায়নি সে।অবশেষে আত্ম হত্যা করেছে।
মিঠাপুকুর থানার অফির্সাস ইনচার্য আমিরুজ্জামান বলেন-লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মিতুর পরিবার থেকে মাললা করার প্রস্ততি চলছে।