September 18, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

রংপুরে দলাবাধা নিম্নমানের ইউরিয়া সার বিক্রি বন্ধের দাবিতে কৃষকফ্রন্টের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ, স্মারকলিপি পেশ

রংপুরে দলাবাধা নিম্নমানের ইউরিয়া সার বিক্রি বন্ধের দাবিতে কৃষকফ্রন্টের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ, স্মারকলিপি পেশ

রংপুরে দলাবাধা নিম্নমানের ইউরিয়া সার বিক্রি বন্ধের দাবিতে কৃষকফ্রন্টের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ, স্মারকলিপি পেশ

অবিলম্বে জমাটবাধা/দলাবাধা নিম্নমানের ইউরিয়া সার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষকফ্রন্ট রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও কাচারি বাজারে সমাাবেশ করে।ভেজাল সার ও কীটনাশকের কারণে ফসলের ক্ষতি হলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ,সয়ারিন তেল,চিনি,চাল,ডাল ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানো,ক্ষেতমজুদের সারাবছরের কাজ গ্রাম-শহরে শ্রমজীবীদের জন্য আর্মিরেটে রেশনিং চালুর দাবিসহ নানাবিধ দাবি সম্বলিত ব্যনার,ফেস্টুন,লাল পতাকার একটি বিশাল মিছিল গতকাল দুপুর ১২টায় নগরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় কাচারি বাজারে সমাবেশ করে।তার আগে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি পেশ করে। কৃষকফ্রন্টের জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক অমল সরকারের পরিচালানায় ঘন্টাব্যাপি এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি বাসদ নেতা মমিনুল ইসলাম,প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য দেন,সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা বাসদ আহ্বায়ক জননেতা কমরেড আব্দুল কুদ্দুস,কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম রব্বানী,সংহতি গ্যাপন করেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতি রংপুর জেলা সদস্য আব্দুল জলিল, সদস্য আতিয়ার রহমান,মনোয়ার হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।কমরেড কুদ্দুস বলেন,দীর্ঘদিন থেকে জমাটবাধা ইউরিয়া সার ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এ বিষয়ে নির্বিকার।সরকারি সার গুদামে দীর্ঘদিনের জমাটবাধা সার শ্যালো  ই দিয়ে ক্রাশ করে নতুন ব্যাগে রিপ্যাকিং করে ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের কিনতে বাধ্য করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।সরকার দলীয় প্রভাবশালী কয়েকজন ডিলার ছাড়া অন্য ডিলারদের কাছ থেকে বাফার ইনচার্জ বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্তরা  প্রত্যেক সারের ট্রাকের উৎকোচ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।অবিলম্বে নিম্নমানের সার সরবরাহ বন্ধের দাবি করেন।এছাড়া ভেজাল বীজ ও কীটনাশকের ফলে ফসলের ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং মাঠপর্যায়ে সরকারি তদারকি নিশ্চিতের দাবি করেন।কৃষকনেতা গোলাম রব্বানী  বলেন,তেল,চিনি,চাল,ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।একদিকে গ্রাম-শহরে শ্রমজীবীদের নিয়মিত কাজ নেই অপরদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে নাভিশ্বাস উছেছে।তিনি ক্ষেতমজুরদের সারাবছরে কাজ শ্রমজীবীদের আর্মিরেটে রেশন,প্রত্যেক ওয়ার্ডে বা ইউনিয়নে টিসিবি ও ওএমএস চালুর দাবি করেন।অন্যন্য নেতৃবৃন্দ সরকারি সার গুদামে বাফার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজদের তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করেন।