October 20, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

রাজারহাটে ইউপি চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারে অনিয়মের অভিযোগ।

রাজারহাটে ইউপি চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারে অনিয়মের অভিযোগ।

রাজারহাটে ইউপি চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারে অনিয়মের অভিযোগ।

এ.এস.লিমন, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের টাকা মারিং কাটিং করে খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাজারহাটে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ৩৭ হাজার ৭৩৩ টি দরিদ্র পরিবারের জন্য জিআর ও ভিজিএফের আওতায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ১১শত টাকা বরাদ্দ আসে। এর মধ্যে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে জি-আর এর মাধ্যমে ৪ হাজার ৩৭৫টি পরিবারের মাঝে প্রতিটি পরিবারকে ৪০০ টাকা করে মোট ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ভিজিএফের আওতায় ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে ৫ হাজার ২শত ৯৪টি পরিবারের মাঝে ২৩ লাখ ৮২হাজার ৩ শত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু ঘড়িয়ালডাঙ্গা চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকার ধনী ও মধ্যবিত্ত মহিলাদের ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর সংগ্রহ করে নাম মাত্র তালিকা করে। পরে তার লোকদের মাধ্যমে প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার নামের তালিকায় টিপসহি দিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা মারি কাটিং করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ভিজিডি কার্ডের সুবিধাভোগীদের ঈদ উপহারের তালিকায় অন্তভুক্ত করে শুধু তাদের কার্ডের চাল প্রদান করে কিন্তু তাদেরকে টাকা দেয়া হয়নি। ওই ইউনিয়নে মাস্টার রোলের তালিকায় একাধিক হতদরিদ্র মহিলার নাম আছে কিন্তু টাকা নেই।

ভুক্তভোগী ৩নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দেবোত্তর গ্রামের মোছাঃ মর্জিনা বেগম,মোছাঃ রফিকা বেগম, মোছাঃ ঝরনা বেগম, মোছাঃ মমেনা বেগম,মোছাঃ সালেহা বেগম বলেন- আমরা পরিষদে যাওয়ার আগেই চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকার তার লোকদেরকে দিয়ে নামের তালিকায় জাল টিপ দিয়ে টাকা উত্তোলন করে নেন। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার গরীব মানুষের হক। সেই হক চেয়ারম্যান মারিং কাটিং করি খায়, আল্লাহ সহ্য করবে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মধ্যবিত্ত এক মহিলা বলেন, গরীব মানুষের হক তাই এসব টাকার দরকার নেই। কিন্তু চেয়ারম্যানের লোক ভোটার আইডি কার্ডটি এসে নিয়ে যায়। আমি জানি না যে ওই তালিকায় নাম দিয়ে তারা টাকা উত্তোলন করে নিবে।জানলে আইডি কার্ডেটি দিতাম না।

ইউপি সদস্য হারুন রশীদ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের মাস্টার রোলের তালিকায় একাধিক হতদরিদ্রদের নাম আছে কিন্তু টাকা নেই।

এ বিষয়ে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন মাস্টার রোলের তালিকা ভালভাবে এখনও দেখা হয়নি আগামীকাল দেখব।