January 25, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

সরকারী সম্পত্তি দখল করে সেখানে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছে একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি

সরকারী সম্পত্তি দখল করে সেখানে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছে একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি

সরকারী সম্পত্তি দখল করে সেখানে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছে একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি


কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের ৪৫ শতক জমির মধ্যে ৮ শতক জমিতে অবৈধভাবে  দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি। তার বাড়ি পুটিমারি ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ী গ্রামের। বৃহঃপতিবার দুপুরে উপজেলা চারতলা ভবনের পাশে সামনে শাটার লাগিয়ে ভিতরে ভিতরে অবৈধ স্থাপনার কাজ অব্যাহত রেখেছে সিরাজুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে পুটিমারী ইউপির ভেরভেরি গ্রামের    সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি আমার কেনা সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণ করছি। পাশাপাশি প্রশাসনিক হয়রানী এড়াতে হাইকোর্টে রিট করেছি। যাহার রিট নম্বর ৪০৯৭। তাকে প্রশ্ন করা হলে যে, এর আগে আপনার নির্মাণকাজ বন্ধকরে দিয়ে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। তার পড়ে বেশ কিছু দিন কাজ বন্ধ ছিল। আবারো তিনি নতুন করে কাজ শুরু করেছেন।

উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, সেখানে উপজেলা পরিষদের পুরাতন হলরুম সংলগ্ন ৩০২১ দাগে মোট ৯২ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে ১৯৬৩-৬৪ সালে ভূমি দখল হুকুম মূলে সরকার ৪৫ শতক জমি নিয়ে নেয়। এবং বাকি ৪৭ শতকের মধ্যে ৪৫ শতাংশ জমি  ৩১/০৫/১৯৬৬ সালে  কেশবা মৌজার মৃত  ওসমান গনির ছেলে মৃত জয়েনউদ্দিন  মিয়ার কাছ থেকে ৫০৭১/৬৬ নং দলিল মূলে থানা কাউন্সিল  ক্রয় করে। বাকি দুই শতাংশ জমি কিশোরগঞ্জ টেংগনমারী সড়কের জন্য ছেড়ে দেয়। কিন্তু ওই জমিতে গত ২০০৯/১০ সালে পিএসসির সাবেক সদস্য মাহফুজার রহমান একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করলে ১/১১র সময় তত্তাবধায়ক সরকারের আমলে সরকার বিল্ডিং নির্মান অবৈধ ঘোষনা করে বিল্ডিংটি ভাঙ্গা শুরু করলে পিএসসির সদস্য মাহফুজার রহমানের ছোট ভাই মামুনুর রশিদ হাইকোর্টে একটি রিট করলে হাইকোর্টের এক আদেশে ভবন ভাঙ্গা স্থগিত হয়ে যায়। বর্তমানে মামলাটি চলমান রয়েছে। কিন্তু মামলা চলমান থাকা অবস্থায় চারতলা ভবনের পাশে ফাঁকা জায়গায় নতুন করে পাঁকা ঘর নির্মাণ শুরু করেন পুটিমারী ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলাম। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম বারী পাইলট বলেন, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‍্যাল তৈরী করার সময় স্থান পাচ্ছিলাম না। অনেক কষ্ট করে আমার বাড়ি আমার খামারের অফিসের সামনে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে।অথচ উপজেলা পরিষদের জমিসহ অন্যান্য সরকারী জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তি। আমি মনে করি উপজেলা পরিষদের জমিতে অবৈধভাবে যে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে তা দ্রুততার সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করে উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নবীরুল ইসলাম বলেন,আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি  ততো কিছু জানিনা তবে বিষয়টি দ্রুততার সাথে সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।