January 18, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

ঝিনাইদহে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েও আক্রান্ত মানুষ!

ঝিনাইদহে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েও আক্রান্ত মানুষ!

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও শনাক্ত বেড়েছে

দেশে করোনায় আবারো এক হাজার ছাড়ালো নতুন শনাক্ত। সেই সঙ্গে এ সময়ে শনাক্তের হার এবং মৃত্যু আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় বেড়েছে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৪০ জন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাত জন। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, বুধবার শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৮৯২ জন। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় এক লাফে ২৪৮ জন রোগী বেশি শনাক্ত হয়েছেন।

দেশে এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর একদিনে এক হাজার ১৭৮ জন করোনা শনাক্ত হয়েছিলেন। এর মাঝে ১০০ দিনের বেশি সময়েও এত বেশি সংখ্যায় কোভিড আক্রান্ত হয়নি।

গত ২৪ ঘণ্টায়  রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় পাঁচ শতাংশ। বুধবার শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, নতুন শনাক্ত  এক হাজার ১৪০ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখনো পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪৭ জন, আর ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাত জনকে নিয়ে এ পর্যন্ত দেশে মোট মারা গেলেন ২৮ হাজার ৯৭ জন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯৬ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন  ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে  নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৩ হাজার ৬২৯টি, আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৪৩৫টি।

দেশে এখনো পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার ৩৩৬টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ১৭টি, আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩১৯টি।

দেশে এখনো পর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।