January 21, 2022

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

রাজধানীতে অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে এপিপিজি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রবিদাসপাড়াসহ আরও অন্যান্য মহল্লা, বস্তি ও কলোনীতে বসবাসরত অসহায়-দরিদ্র সর্বমোট ৯৫০ টি পরিবারের মাঝে ফুড বাস্কেট বিতরন করেছে ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’। উন্নয়ন সংস্থা ‘হেকস্-ইপার’ এবং ‘পিপলস্ এম্পাওয়ারমেন্ট ট্রাস্ট (পিইটি)’ এর সহযোগিতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪.১০ টায় ঢাকার ওয়ারীস্থ রাম-সীতা মন্দিরে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’ এর সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির শীল। সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)’ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজেশ রবিদাস। ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণের সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়ারী রবিদাস হিন্দু কল্যাণ সংঘের সভাপতি মরণচাঁন রবিদাস, বিআরএফ এর সহ সভাপতি কৃষ্ণা রবিদাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রবিদাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন রবিদাস, নারী বিষয়ক সম্পাদক পিংকী রানী রবিদাস, সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক মালা রানী রবিদাস, ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি তপন রবিদাস, সাধারণ সম্পাদক সুজন রবিদাস, সাংগঠনিক সম্পাদক চয়ন রবিদাস, রূপনগর থানা কমিটির সভাপতি দিলিপ রবিদাস, অদম্য যুব ফোরামের সমন্বয়কারী সুজন রাজভর প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি তাঁর বক্তব্যে ওয়ারী রবিদাসপাড়ার নারীপুরুষ-শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, করোনাকালীন সরকারী-বেসরকারী সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়ে অংশগ্রহনকারীদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে তাঁদের মানবেতর জীবনযাপনের খোঁজ-খবর নেন। এসময় তিনি ওয়ারীসহ সারা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের ইতিবাচক দিক তুলে ধরবার পাশাপাশি আগামীতেও তা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আগামীতে ওয়ারী রবিদাসপাড়ার জরাজীর্ন মন্দির ও সংকীর্ন বাসস্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনক্ষেত্রে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের পাশে ছিলো, আছে, থাকবে।” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এপিপিজি’র সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির শীল বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এখন সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে। আমরা আশা করছি আগামী অর্থ-বছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে দেশের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্তি ঘটবে। আমরা দেখছি সারাদেশে সম্পদের অসম বন্টন বেড়ে গেছে। তাতে করে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সফলতার পথে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। জাতির পিতা বলেছেন সবার সমান অধিকার। এই সমানাধিকার বাস্তবায়নের জন্য অচলয়াতন ভাংতে হবে।” তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “দারিদ্রের যে বহুমাত্রিক সংজ্ঞা তাতে করে মনে হয় আপনারা দরিদ্র নন। প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র হচ্ছেন তারা যারা অসহায় প্রতিবেশীকে অভূক্ত রেখেই বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। তারাই মূলত চেতনার দিক থেকে দরিদ্র। জনাব শিশির শীল আগামীতে বৃহৎ পরিসরে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য সাধ্যমতো কাজ করবেন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়াও ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০’ এর ২০১৯ সালের তফসিলে ৫০ টি জনগোষ্ঠী অন্তর্ভূক্ত হলেও রবিদাসদের বাদ রাখায় ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণ দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি অন্তর্ভূক্তকরনের জন্য প্রধান অতিথির মাধ্যমে জোর দাবী জানান। সারাদেশে শহরে-বন্দরে-মফস্বলে বসবাসরত প্রায় ৮ লক্ষাধিক রবিদাস জনগোষ্ঠীর বেকার সমস্যা, ভূমিহীনতা, বর্ণ বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে সবার সুদৃষ্টি কামনা করেন।

রাজধানীতে অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে এপিপিজি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রবিদাসপাড়াসহ আরও অন্যান্য মহল্লা, বস্তি ও কলোনীতে বসবাসরত অসহায়-দরিদ্র সর্বমোট ৯৫০ টি পরিবারের মাঝে ফুড বাস্কেট বিতরন করেছে ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’। উন্নয়ন সংস্থা ‘হেকস্-ইপার’ এবং ‘পিপলস্ এম্পাওয়ারমেন্ট ট্রাস্ট (পিইটি)’ এর সহযোগিতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪.১০ টায় ঢাকার ওয়ারীস্থ রাম-সীতা মন্দিরে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’ এর সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির শীল। সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)’ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজেশ রবিদাস। ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণের সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়ারী রবিদাস হিন্দু কল্যাণ সংঘের সভাপতি মরণচাঁন রবিদাস, বিআরএফ এর সহ সভাপতি কৃষ্ণা রবিদাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রবিদাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন রবিদাস, নারী বিষয়ক সম্পাদক পিংকী রানী রবিদাস, সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক মালা রানী রবিদাস, ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি তপন রবিদাস, সাধারণ সম্পাদক সুজন রবিদাস, সাংগঠনিক সম্পাদক চয়ন রবিদাস, রূপনগর থানা কমিটির সভাপতি দিলিপ রবিদাস, অদম্য যুব ফোরামের সমন্বয়কারী সুজন রাজভর প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি তাঁর বক্তব্যে ওয়ারী রবিদাসপাড়ার নারীপুরুষ-শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, করোনাকালীন সরকারী-বেসরকারী সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়ে অংশগ্রহনকারীদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে তাঁদের মানবেতর জীবনযাপনের খোঁজ-খবর নেন। এসময় তিনি ওয়ারীসহ সারা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের ইতিবাচক দিক তুলে ধরবার পাশাপাশি আগামীতেও তা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আগামীতে ওয়ারী রবিদাসপাড়ার জরাজীর্ন মন্দির ও সংকীর্ন বাসস্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনক্ষেত্রে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের পাশে ছিলো, আছে, থাকবে।” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এপিপিজি’র সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির শীল বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এখন সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে। আমরা আশা করছি আগামী অর্থ-বছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে দেশের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্তি ঘটবে। আমরা দেখছি সারাদেশে সম্পদের অসম বন্টন বেড়ে গেছে। তাতে করে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সফলতার পথে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। জাতির পিতা বলেছেন সবার সমান অধিকার। এই সমানাধিকার বাস্তবায়নের জন্য অচলয়াতন ভাংতে হবে।” তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “দারিদ্রের যে বহুমাত্রিক সংজ্ঞা তাতে করে মনে হয় আপনারা দরিদ্র নন। প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র হচ্ছেন তারা যারা অসহায় প্রতিবেশীকে অভূক্ত রেখেই বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। তারাই মূলত চেতনার দিক থেকে দরিদ্র। জনাব শিশির শীল আগামীতে বৃহৎ পরিসরে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য সাধ্যমতো কাজ করবেন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়াও ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০’ এর ২০১৯ সালের তফসিলে ৫০ টি জনগোষ্ঠী অন্তর্ভূক্ত হলেও রবিদাসদের বাদ রাখায় ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণ দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি অন্তর্ভূক্তকরনের জন্য প্রধান অতিথির মাধ্যমে জোর দাবী জানান। সারাদেশে শহরে-বন্দরে-মফস্বলে বসবাসরত প্রায় ৮ লক্ষাধিক রবিদাস জনগোষ্ঠীর বেকার সমস্যা, ভূমিহীনতা, বর্ণ বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে সবার সুদৃষ্টি কামনা করেন।

রাজধানীতে অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে এপিপিজি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ


কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রবিদাসপাড়াসহ আরও অন্যান্য মহল্লা, বস্তি ও কলোনীতে
বসবাসরত অসহায়-দরিদ্র সর্বমোট ৯৫০ টি পরিবারের মাঝে ফুড বাস্কেট বিতরন করেছে ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ
(এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’। উন্নয়ন সংস্থা ‘হেকস্-ইপার’ এবং ‘পিপলস্ এম্পাওয়ারমেন্ট ট্রাস্ট
(পিইটি)’ এর সহযোগিতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ (মঙ্গলবার) বিকেল ৪.১০ টায় ঢাকার ওয়ারীস্থ রাম-সীতা মন্দিরে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য
রাখেন ‘সর্বদলীয় সংসদীয় গ্রুপ (এপিপিজি’স) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ’ এর সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির
শীল। সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)’ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজেশ
রবিদাস।
‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণের সঞ্চালনায়
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়ারী রবিদাস হিন্দু কল্যাণ সংঘের সভাপতি মরণচাঁন রবিদাস,
বিআরএফ এর সহ সভাপতি কৃষ্ণা রবিদাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রবিদাস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন
রবিদাস, নারী বিষয়ক সম্পাদক পিংকী রানী রবিদাস, সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক মালা রানী রবিদাস, ঢাকা মহানগর
শাখার সভাপতি তপন রবিদাস, সাধারণ সম্পাদক সুজন রবিদাস, সাংগঠনিক সম্পাদক চয়ন রবিদাস, রূপনগর থানা
কমিটির সভাপতি দিলিপ রবিদাস, অদম্য যুব ফোরামের সমন্বয়কারী সুজন রাজভর প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, এমপি তাঁর বক্তব্যে ওয়ারী রবিদাসপাড়ার নারীপুরুষ-শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, করোনাকালীন সরকারী-বেসরকারী সহায়তা প্রাপ্তির বিষয়ে
অংশগ্রহনকারীদের সাথে সরাসরি আলাপচারিতার মাধ্যমে তাঁদের মানবেতর জীবনযাপনের খোঁজ-খবর নেন। এসময়
তিনি ওয়ারীসহ সারা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের সুখ-দুঃখের কথা মনোযোগ দিয়ে
শুনেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের ইতিবাচক দিক
তুলে ধরবার পাশাপাশি আগামীতেও তা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আগামীতে ওয়ারী
রবিদাসপাড়ার জরাজীর্ন মন্দির ও সংকীর্ন বাসস্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনক্ষেত্রে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বস্ত
করেন। তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার আপনাদের পাশে ছিলো, আছে, থাকবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এপিপিজি’র সেক্রেটারী জেনারেল জনাব শিশির শীল বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
এখন সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে। আমরা আশা করছি আগামী অর্থ-বছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে দেশের
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্তি ঘটবে। আমরা দেখছি সারাদেশে সম্পদের অসম বন্টন বেড়ে গেছে। তাতে করে
বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সফলতার পথে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। জাতির পিতা বলেছেন সবার সমান অধিকার। এই সমানাধিকার
বাস্তবায়নের জন্য অচলয়াতন ভাংতে হবে।” তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “দারিদ্রের যে বহুমাত্রিক
সংজ্ঞা তাতে করে মনে হয় আপনারা দরিদ্র নন। প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র হচ্ছেন তারা যারা অসহায় প্রতিবেশীকে অভূক্ত
রেখেই বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। তারাই মূলত চেতনার দিক থেকে দরিদ্র। জনাব শিশির শীল আগামীতে বৃহৎ
পরিসরে রবিদাসসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য সাধ্যমতো কাজ করবেন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০’ এর ২০১৯ সালের তফসিলে ৫০ টি জনগোষ্ঠী অন্তর্ভূক্ত
হলেও রবিদাসদের বাদ রাখায় ‘বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ)-কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক শিপন
রবিদাস প্রাণকৃষ্ণ দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি অন্তর্ভূক্তকরনের জন্য প্রধান অতিথির মাধ্যমে জোর দাবী জানান।
সারাদেশে শহরে-বন্দরে-মফস্বলে বসবাসরত প্রায় ৮ লক্ষাধিক রবিদাস জনগোষ্ঠীর বেকার সমস্যা, ভূমিহীনতা, বর্ণ
বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে সবার সুদৃষ্টি কামনা করেন।