December 5, 2021

Jagobahe24.com

সত্যের সাথে আপোসহীন

অক্সিজেন শুন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের জরুরী বিভাগ

অক্সিজেন শুন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের জরুরী বিভাগ

অক্সিজেন শুন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের জরুরী বিভাগ

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ দেশে করোনার সংক্রমন দিন দিন বেড়েই চলেছে, আক্রমনের পাশাপাশি বাড়ছে মুমুর্ষ রোগীর সংখ্যা এ অবস্থায় নীলফামারীর  কিশোরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের  জরুরী বিভাগে অক্সিজেন না থাকার কারণে রোগীর সঠিক চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে, অক্সিজেন না থাকার কারণে যে কোন মূহুত্বে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূঘর্টনা, দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তারদের অবহেলায় যে কেউ হারাতে পারে তাঁর মুল্যবান জীবন, এমন ঘটনা অহরহ ঘটেই চলেছে। সম্প্রতি অক্সিজেন না থাকায় পুটিমারী ইউনিয়নের সাদুরার পুল গ্রামের একব্যাক্তি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে মারা গেছেন। পূর্ণরায় এমন ঘটনা  ঘটেছে  রবিবার  রাত ১ টার দিকে।  কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা  রেজাউল করিম রেজার স্ত্রী লিনা বেগমের  শ্বাসকষ্ট দেখা হয়। 
রবিবার রাঁত একটার দিকে তাঁকে  দ্রুত কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পর ওই রোগীকে অক্সিজেন দিতে না পারায় রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। তাতক্ষনিক জরুরীবিভাগের চিকিৎসক মাসুদ রানা ওই রোগীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।লিনা বেগমের স্বামী অভিযোগ করে বলেন, রবিবার রাত একটার দিকে   আমার স্ত্রীর প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে আমি তাড়াতাড়ি আমার স্ত্রীকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করি, কিন্তু হাসপাতালে ভর্তির পর জানতে পারি জরুরী বিভাগের কোন অক্সিজেন নেই। এসময় আমার স্ত্রীর অবস্থা আশংখা জনক হওয়ায় জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। আল্লাহর অশেষ রহমত আমার স্ত্রী বতর্মানে সুস্থ আছে, যদি কোন অঘটন ঘটত তাহলে আমার বাচ্চারা এতিম হয়ে যেত,  তিনি ঘটনার বিষয় তদন্ত করে দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে ডাঃ মাসুদ রানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন অক্সিজেন না থাকার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের এখানে টেকনোলজি ম্যান পাওয়ার না থাকার কারণে কালা নামে একজন ওয়ার্ড বয় দিয়ে কাজ করাতে হয়। তিনি বাড়ী চলে যাওয়ায় কারণে এ রকম সমস্যা হয়েছে। 
 কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা আবু শফির সাথে এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন এ রকম হওয়ার কথা নয়। যদি তা হয়ে থাকে তার দ্বায়ভার জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্টারের। কারণ তিনি দায়িত্ব নেয়ার আগে সমস্থ ধরণের সরজ্ঞাম চেক করে তার পড়ে দায়িত্ব বু্ঝে নিবে। আর এরকম যদি হয়ে থাকে তা হলে অবশ্যই কর্তব্যরত ডাক্টারকে চিটির মাধ্যমে জবাব কেয়া হবে এবং তাকে শোকজ করা হবে।